বিয়ন্সে-রিয়ানার যুগলবন্দিতে কাঁপল নিউইয়র্ক
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পপ সংস্কৃতির ভুবনে ঘটে গেল এক অবিশ্বাস্য ও বিরলতম ঘটনা। এক কথায় ‘ইউনিকর্ন’ মুহূর্ত বললেও ভুল হবে না। ইয়ানকি স্টেডিয়ামে বিশ্বখ্যাত র্যাপার জে-জির পরপর তিনটি কনসার্ট যেন রূপ নিয়েছিল হলিউডের মেগা-তারকাদের এক মহাসমাবেশে। আর সেখানেই ঘটল সেই জাদুকরী ঘটনা—একই মঞ্চে, একই রাতে হাজির হলেন সংগীত ভুবনের দুই মহানক্ষত্র বিয়ন্সে ও রিয়ানা। তাদের যুগলবন্দিতে নিউইয়র্কের সংগীতভুবনে রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
ঐতিহাসিক অ্যালবাম ‘রিজনেবল ডাউট’-এর ৩০ বছর পূর্তি উদযাপনে শুক্রবার শুরু হয় প্রথম রাতের শো। জে-জির অ্যালবামটি কেবল হিপ-হপ নয়, বিশ্ব সংগীতেরই এক অন্যতম ভিত্তিপ্রস্তর। শোর শুরুতেই দেখা যায় বিয়ন্সের হাতে জে-জির চুল কাটার দৃশ্য। এরপর মঞ্চে সরাসরি হাজির হয়ে বিয়ন্সে মেতে ওঠেন ‘ক্যান্ট নক দ্য হাসল’ গানে।
প্রথম রাতের অন্য অতিথিদের মধ্যে অ্যালিসিয়া কিজ, মেমফিস ব্লিক ও জ্যাজ-ও-এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় চমক ছিল একসময়ের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী কিংবদন্তি র্যাপার ‘নাস’-এর উপস্থিতি। বছরের পর বছর চলা দ্বন্দ্ব ভুলে দুই তারকার এই মিলন ছিল সত্যিই ঐতিহাসিক।
দ্বিতীয় রাতে ‘দ্য ব্লুপ্রিন্ট’-
যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পপ সংস্কৃতির ভুবনে ঘটে গেল এক অবিশ্বাস্য ও বিরলতম ঘটনা। এক কথায় ‘ইউনিকর্ন’ মুহূর্ত বললেও ভুল হবে না। ইয়ানকি স্টেডিয়ামে বিশ্বখ্যাত র্যাপার জে-জির পরপর তিনটি কনসার্ট যেন রূপ নিয়েছিল হলিউডের মেগা-তারকাদের এক মহাসমাবেশে। আর সেখানেই ঘটল সেই জাদুকরী ঘটনা—একই মঞ্চে, একই রাতে হাজির হলেন সংগীত ভুবনের দুই মহানক্ষত্র বিয়ন্সে ও রিয়ানা। তাদের যুগলবন্দিতে নিউইয়র্কের সংগীতভুবনে রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
ঐতিহাসিক অ্যালবাম ‘রিজনেবল ডাউট’-এর ৩০ বছর পূর্তি উদযাপনে শুক্রবার শুরু হয় প্রথম রাতের শো। জে-জির অ্যালবামটি কেবল হিপ-হপ নয়, বিশ্ব সংগীতেরই এক অন্যতম ভিত্তিপ্রস্তর। শোর শুরুতেই দেখা যায় বিয়ন্সের হাতে জে-জির চুল কাটার দৃশ্য। এরপর মঞ্চে সরাসরি হাজির হয়ে বিয়ন্সে মেতে ওঠেন ‘ক্যান্ট নক দ্য হাসল’ গানে।
প্রথম রাতের অন্য অতিথিদের মধ্যে অ্যালিসিয়া কিজ, মেমফিস ব্লিক ও জ্যাজ-ও-এর পাশাপাশি সবচেয়ে বড় চমক ছিল একসময়ের চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী কিংবদন্তি র্যাপার ‘নাস’-এর উপস্থিতি। বছরের পর বছর চলা দ্বন্দ্ব ভুলে দুই তারকার এই মিলন ছিল সত্যিই ঐতিহাসিক।
দ্বিতীয় রাতে ‘দ্য ব্লুপ্রিন্ট’-এর ২৫ বছর পূর্তিতে মঞ্চ কাঁপাতে আসেন স্লিক রিক, ফ্যারেল উইলিয়ামস ও এমিনেম। ‘লুজ ইয়োরসেলফ’ গেয়ে এমিনেম পুরো স্টেডিয়াম মাতিয়ে রাখেন।
আসল ধামাকা ছিল তৃতীয় ও শেষ রাতে। অনুষ্ঠানের শুরুতে দর্শকদের বিশৃঙ্খলায় চার ঘণ্টা শো বন্ধ থাকে। তবে জে-জি মঞ্চে এসেই দর্শকদের শান্ত করেন। তার দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী একে একে মঞ্চে আসেন টিয়ানা টেইলর, জার্মেইন ডুপ্রি, আশার, ফ্যাট জো ও ফ্যারেল।সব শেষ চমক ছিলেন রিয়ানা। ‘রান দিস টাউন’ গেয়ে স্টেডিয়াম কাঁপানোর পর ভক্তদের দীর্ঘদিনের তৃষ্ণা মেটান নতুন অ্যালবামের আভাস দিয়ে।
রিয়ানার পারফরম্যান্সে যখন বুঁদ সবাই, তখনই বিশাল চমক নিয়ে মঞ্চে আসেন বিয়ন্সে! দুর্দান্ত কোরিওগ্রাফি আর চেনা হাসিতে মাতালেন নিউইয়র্কের রাত। সব মিলিয়ে, ইয়ানকি স্টেডিয়ামের এই রাত সংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে আজীবন অমলিন থাকবে। সূত্র: পেজ সিক্স