বিশ্বকাপ ট্রফি নেইমারকে উৎসর্গ করলেন নিকো উইলিয়ামস

বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে ভাসলেও নিজের সাফল্যের কৃতিত্বের একটি অংশ ব্রাজিল তারকা নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন স্পেনের উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামস। আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই নেইমার তার আদর্শ। ফাইনালে ফেরান তোরেসের জয়সূচক গোলের অ্যাসিস্ট করেন ২৪ বছর বয়সী নিকো। ম্যাচ শেষে কাজে টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি খুবই খুশি। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত। আমার আদর্শ নেইমার। আশা করি, তিনি আমাদের খেলা দেখেছেন। এই শিরোপা তার জন্যও।’ ফাইনালে নিকো ছিলেন স্পেনের অন্যতম উজ্জ্বল পারফর্মার। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে তিনি একবার বল জালে জড়ালেও সতীর্থ মিকেল মেরিনোর ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল হয়। তবে কিছুক্ষণ পরই হেড দিয়ে ফেরান তোরেসের জয়সূচক গোলের অ্যাসিস্ট করে দলের নায়কে পরিণত হন তিনি। নিজের বাতিল হওয়া গোল নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই বলেও জানান নিকো। ‘কোনো সমস্যা নেই। আমরা তো জিতেছি!’- হাসিমুখে বলেন স্প্যানিশ তারকা। ফাইনালে শুরু থেকেই স্পেন ছিল আক্রমণাত্মক। তারা ৬৫ শতাংশ সময় বলের দখল ধরে রাখে এবং নির্ধারিত সময়ে ১৫টি শট নেয়, যার মধ্যে ১০টি দ

বিশ্বকাপ ট্রফি নেইমারকে উৎসর্গ করলেন নিকো উইলিয়ামস

বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে ভাসলেও নিজের সাফল্যের কৃতিত্বের একটি অংশ ব্রাজিল তারকা নেইমারকে উৎসর্গ করেছেন স্পেনের উইঙ্গার নিকো উইলিয়ামস।

আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর তিনি জানান, ছোটবেলা থেকেই নেইমার তার আদর্শ। ফাইনালে ফেরান তোরেসের জয়সূচক গোলের অ্যাসিস্ট করেন ২৪ বছর বয়সী নিকো।

ম্যাচ শেষে কাজে টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আমি খুবই খুশি। এটা আমার জীবনের সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্ত। আমার আদর্শ নেইমার। আশা করি, তিনি আমাদের খেলা দেখেছেন। এই শিরোপা তার জন্যও।’

ফাইনালে নিকো ছিলেন স্পেনের অন্যতম উজ্জ্বল পারফর্মার। অতিরিক্ত সময়ের প্রথমার্ধে তিনি একবার বল জালে জড়ালেও সতীর্থ মিকেল মেরিনোর ফাউলের কারণে গোলটি বাতিল হয়। তবে কিছুক্ষণ পরই হেড দিয়ে ফেরান তোরেসের জয়সূচক গোলের অ্যাসিস্ট করে দলের নায়কে পরিণত হন তিনি।

নিজের বাতিল হওয়া গোল নিয়ে কোনো আক্ষেপ নেই বলেও জানান নিকো। ‘কোনো সমস্যা নেই। আমরা তো জিতেছি!’- হাসিমুখে বলেন স্প্যানিশ তারকা।

ফাইনালে শুরু থেকেই স্পেন ছিল আক্রমণাত্মক। তারা ৬৫ শতাংশ সময় বলের দখল ধরে রাখে এবং নির্ধারিত সময়ে ১৫টি শট নেয়, যার মধ্যে ১০টি দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজ। অতিরিক্ত সময়েও স্পেনের লাগাতার আক্রমণের ফলেই আসে ফেরান তোরেসের শিরোপা জয়ী গোল।

আরআর/আইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow