বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ‘গোপন অস্ত্র’ হতে পারেন থিয়াগো
বিশ্বকাপের আগে পানামার বিপক্ষে ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচটি কাগজে-কলমে সহজ হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রথমার্ধে মাত্র ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় বিরতির পর বড় পরিবর্তন আনতে বাধ্য হন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। মারাকানায় দ্বিতীয়ার্ধে একসঙ্গে ১০টি পরিবর্তন করেন ইতালিয়ান এই কোচ। রায়ান, এন্দ্রিক, দানিলো অলিভেইরা ও ডগলাস সান্তোসদের মাঠে নামিয়ে নতুন ছন্দ খুঁজতে থাকেন তিনি। আর সেই পরিবর্তনের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি নজর কাড়েন ফরোয়ার্ড ইগর থিয়াগো। মাঠে নামার মাত্র আট মিনিটের মাথায় রায়ানের গোলে সহায়তা করেন থিয়াগো। এরপর ৬৩তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজেও গোল করেন। জাতীয় দলের জার্সিতে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে গোল করে বিশ্বকাপের আগে নিজের দাবি আরও জোরালো করেছেন ২৪ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার। মিশরের বিপক্ষে ব্রাজিলের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে শুরুর একাদশে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে গেছে তার। ক্লাব ফুটবলেও দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন থিয়াগো। এক বছর আগেও চোটের কারণে প্রিমিয়ার লিগে মাত্র আট ম্যাচ খেলতে পেরেছিলেন। কিন্তু ব্রেন্টফোর্ডে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে ২০২৫-২৬ মৌসুমে ৪০ ম্যাচে ২৫ গোল করেছেন তিনি। এর মধ্যে ২২টিই এসেছে প্রিমিয়ার লিগে।
বিশ্বকাপের আগে পানামার বিপক্ষে ব্রাজিলের প্রীতি ম্যাচটি কাগজে-কলমে সহজ হওয়ার কথা ছিল। তবে প্রথমার্ধে মাত্র ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে থাকায় বিরতির পর বড় পরিবর্তন আনতে বাধ্য হন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
মারাকানায় দ্বিতীয়ার্ধে একসঙ্গে ১০টি পরিবর্তন করেন ইতালিয়ান এই কোচ। রায়ান, এন্দ্রিক, দানিলো অলিভেইরা ও ডগলাস সান্তোসদের মাঠে নামিয়ে নতুন ছন্দ খুঁজতে থাকেন তিনি। আর সেই পরিবর্তনের মধ্যেই সবচেয়ে বেশি নজর কাড়েন ফরোয়ার্ড ইগর থিয়াগো।
মাঠে নামার মাত্র আট মিনিটের মাথায় রায়ানের গোলে সহায়তা করেন থিয়াগো। এরপর ৬৩তম মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজেও গোল করেন। জাতীয় দলের জার্সিতে টানা দ্বিতীয় ম্যাচে গোল করে বিশ্বকাপের আগে নিজের দাবি আরও জোরালো করেছেন ২৪ বছর বয়সী এই স্ট্রাইকার।
মিশরের বিপক্ষে ব্রাজিলের শেষ প্রস্তুতি ম্যাচে শুরুর একাদশে জায়গা পাওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে গেছে তার।
ক্লাব ফুটবলেও দুর্দান্ত সময় কাটিয়েছেন থিয়াগো। এক বছর আগেও চোটের কারণে প্রিমিয়ার লিগে মাত্র আট ম্যাচ খেলতে পেরেছিলেন। কিন্তু ব্রেন্টফোর্ডে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন করে ২০২৫-২৬ মৌসুমে ৪০ ম্যাচে ২৫ গোল করেছেন তিনি। এর মধ্যে ২২টিই এসেছে প্রিমিয়ার লিগে।
আর্লিং হালান্ডের দুর্দান্ত ফর্ম না থাকলে গোল্ডেন বুট জয়ের সম্ভাবনাও ছিল থিয়াগোর। শুধু গোল নয়, আক্রমণভাগে সর্বাঙ্গীণ পারফরম্যান্সের জন্যও প্রশংসা পেয়েছেন তিনি। শট অন টার্গেট, ডুয়েল জেতা ও বল স্পর্শের মতো গুরুত্বপূর্ণ পরিসংখ্যানে প্রিমিয়ার লিগের সেরাদের মধ্যে ছিলেন ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড।
ব্রেন্টফোর্ড কোচ কিথ অ্যান্ড্রুজ তাকে বর্ণনা করেছেন ‘সম্পূর্ণ স্ট্রাইকার’ হিসেবে। তার ভাষায়, ‘সে আক্রমণভাগে নেতৃত্ব দেয়, চ্যানেলে দৌড়ায়, প্রেসিং করে এবং সেট-পিসেও অসাধারণ। একজন সেন্টার ফরোয়ার্ডের যা যা গুণ থাকা দরকার, তার সবই আছে।’
সেই পারফরম্যান্সই আনচেলত্তিকে বাধ্য করেছে তাকে বিশ্বকাপ দলে সুযোগ দিতে। মার্চে ফ্রান্সের বিপক্ষে অভিষেকের পর ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে জয়সূচক গোল করে নজর কাড়েন থিয়াগো।
এখন সামনে বিশ্বকাপ। ইতিহাস বলছে, ব্রাজিলের হয়ে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় রয়েছেন লিওনিদাস, আদেমির, গ্যারিঞ্চা, ভাভা ও রোনালদোর মতো কিংবদন্তিরা। ২০০২ সালে রোনালদোর আট গোলের পর আর কোনো ব্রাজিলিয়ান সেন্টার ফরোয়ার্ড বিশ্বকাপে তেমন ছাপ রাখতে পারেননি।
লুইস ফ্যাবিয়ানো, ফ্রেড, গ্যাব্রিয়েল জেসুস কিংবা রিচার্লিসন—কেউই প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। ফলে এবার ইগর থিয়াগোর দিকে তাকিয়ে আছে ব্রাজিল।
যদিও ৯ নম্বর জার্সিটি পেয়েছেন ম্যাথিউস কুনিয়া, তবে আনচেলত্তির পরিকল্পনায় থিয়াগোকে মূল স্ট্রাইকার হিসেবে দেখা যেতে পারে। তার পাশে থাকবেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, রাফিনিয়া, এন্দ্রিক, রায়ান ও গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির মতো তারকারা। চোট কাটিয়ে ফিরলেও প্রথম ম্যাচে নেইমারের মাঠে নামা নিয়েও রয়েছে অনিশ্চয়তা।
আগামী শনিবার মিশরের বিপক্ষে সুযোগ পেলে থিয়াগো যদি আবারও নিজেকে প্রমাণ করতে পারেন, তাহলে মরক্কোর বিপক্ষে ব্রাজিলের বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই দেখা যেতে পারে তাকে। প্রতি বিশ্বকাপেই নতুন কোনো তারকার জন্ম হয়। বর্তমান ফর্ম, আত্মবিশ্বাস এবং গোল করার ক্ষমতা বিবেচনায় ইগর থিয়াগোও হতে পারেন ২০২৬ বিশ্বকাপের সেই নতুন বিস্ময়।
What's Your Reaction?