বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ওপেক+ জোট। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলেও আগামী জুনে তেল উৎপাদনের কোটা বাড়ানোর বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে জোটটি। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওপেক+ এর সাতটি সদস্য দেশ জুন মাসে দৈনিক প্রায় ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন কোটা বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। এটি টানা তৃতীয় মাসের মতো উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হতে যাচ্ছে। এই সাত দেশ হলো—সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত, আলজেরিয়া, কাজাখস্তান, রাশিয়া ও ওমান। তবে বাস্তবে অনেক দেশই বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারছে না। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল রপ্তানি ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে ওপেক+ এর উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অনেকটাই কাগুজে হয়ে পড়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি পুনরায় চালু না হলে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ইতোমধ্যে চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা ব্যারেলপ্রতি ১২৫ ডলারের ওপরে

বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত

বিশ্ববাজারে তেল সরবরাহ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে ওপেক+ জোট। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকলেও আগামী জুনে তেল উৎপাদনের কোটা বাড়ানোর বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছে জোটটি।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওপেক+ এর সাতটি সদস্য দেশ জুন মাসে দৈনিক প্রায় ১ লাখ ৮৮ হাজার ব্যারেল তেল উৎপাদন কোটা বাড়ানোর বিষয়ে একমত হয়েছে। এটি টানা তৃতীয় মাসের মতো উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত হতে যাচ্ছে।

এই সাত দেশ হলো—সৌদি আরব, ইরাক, কুয়েত, আলজেরিয়া, কাজাখস্তান, রাশিয়া ও ওমান। তবে বাস্তবে অনেক দেশই বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে পারছে না।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় উপসাগরীয় দেশগুলোর তেল রপ্তানি ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে। ফলে ওপেক+ এর উৎপাদন বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অনেকটাই কাগুজে হয়ে পড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী পুরোপুরি পুনরায় চালু না হলে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক হতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ইতোমধ্যে চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে, যা ব্যারেলপ্রতি ১২৫ ডলারের ওপরে উঠেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি ও জেট ফুয়েল সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, উৎপাদন বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত মূলত একটি “প্রতীকী পদক্ষেপ”, কারণ বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তবেই প্রকৃত উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক হবে।

সূত্র: রয়টার্স (Reuters)

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow