বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানার মেহেরচণ্ডী এলাকার একটি আবাসিক বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শিক্ষার্থীর নাম জুবাইদা ইসলাম ইতি। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। উদ্ধারকৃত অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তার বাবা ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজে (আইবিএস) পিয়ন হিসেবে কর্মরত। ইতি মেহেরচণ্ডী এলাকার ওই বাসায় মায়ের সঙ্গে বসবাস করতেন। রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শঙ্কর কুমার বিশ্বাস জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সমাজকর্ম বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়া ফেরদৌস বলেন, শিক্ষার্থীর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মানসিক অবসাদ বা

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজশাহী নগরীর চন্দ্রিমা থানার মেহেরচণ্ডী এলাকার একটি আবাসিক বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহত শিক্ষার্থীর নাম জুবাইদা ইসলাম ইতি। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। উদ্ধারকৃত অবস্থায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তার বাবা ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজে (আইবিএস) পিয়ন হিসেবে কর্মরত। ইতি মেহেরচণ্ডী এলাকার ওই বাসায় মায়ের সঙ্গে বসবাস করতেন। রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শঙ্কর কুমার বিশ্বাস জানান, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটের দিকে শিক্ষার্থীটিকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। সমাজকর্ম বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়া ফেরদৌস বলেন, শিক্ষার্থীর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও জানা যায়নি। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মানসিক অবসাদ বা বিষন্নতা থেকে এ ঘটনা ঘটতে পারে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেহেরচণ্ডী এলাকার একটি বাসা থেকে শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত চলছে। চন্দ্রিমা থানার ওসি মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান এবং তদন্ত অব্যাহত আছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow