বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ‘বেকারত্বের কারখানা’ বানানো যাবে না : শিক্ষামন্ত্রী 

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ‘বেকারত্বের কারখানা’ বানানো যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে কর্মসংস্থানমুখী ও গবেষণাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে। এক্ষেত্রে শিল্প-অ্যাকাডেমিয়া সংযোগ জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।  রোববার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, এসব প্রতিষ্ঠান শিক্ষার মান উন্নয়নের কেন্দ্র হবে নাকি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে এ বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনার প্রয়োজন। আমরা কি সত্যিকার অর্থে শিক্ষিত মানবসম্পদ তৈরি করছি, নাকি শুধু ডিগ্রি দিচ্ছি এই প্রশ্ন আমাদের সামনে রয়েছে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধু নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নয়, এগুলোকে গবেষণার উৎকর্ষ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উন্নত করতে হ

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ‘বেকারত্বের কারখানা’ বানানো যাবে না : শিক্ষামন্ত্রী 

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ‘বেকারত্বের কারখানা’ বানানো যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়কে কর্মসংস্থানমুখী ও গবেষণাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করতে হবে। এক্ষেত্রে শিল্প-অ্যাকাডেমিয়া সংযোগ জোরদারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। 

রোববার (২৬ এপ্রিল) বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, এসব প্রতিষ্ঠান শিক্ষার মান উন্নয়নের কেন্দ্র হবে নাকি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে এ বিষয়ে স্পষ্ট দিকনির্দেশনার প্রয়োজন। আমরা কি সত্যিকার অর্থে শিক্ষিত মানবসম্পদ তৈরি করছি, নাকি শুধু ডিগ্রি দিচ্ছি এই প্রশ্ন আমাদের সামনে রয়েছে।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধু নতুন বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নয়, এগুলোকে গবেষণার উৎকর্ষ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে উন্নত করতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

উচ্চশিক্ষার মানোন্নয়নে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শুধু কারিকুলাম বা সিলেবাস শেষ করলেই হবে না কীভাবে শিক্ষা ব্যবস্থাকে উন্নত করা যায়, সে ভাবনা সবার মধ্যে থাকতে হবে। দেশের উন্নয়নে বর্তমান সরকার শিক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত রাখতে হবে। তবে শুধু সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয় বরং শিক্ষাসংশ্লিষ্ট সবাইকে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হতে হবে।

এইচএসসি পাস করার সঙ্গে সঙ্গেই শিক্ষার্থীরা যেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পারে, সেই ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, এইচএসসি পরীক্ষার পর কেবল ভর্তি পরীক্ষার প্রসেসটার কারণে ২০ লাখ এইচএসসি পরীক্ষার্থীর জীবন থেকে ৪০ লাখ বছর হারিয়ে যাচ্ছে। ইউনিভার্সিটিগুলোর সঙ্গে বসে কখন ভর্তি পরীক্ষা নেবে, সেটি ইউজিসিকে ঠিক করতে হবে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে এমনভাবে প্রস্তুত হতে হবে, যাতে এইচএসসি পাস করার পরপরই শিক্ষার্থীরা ভর্তি কার্যক্রমে অংশ নিতে পারে। 

এহছানুল হক মিলন বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যেই সব পরীক্ষা শেষ করে জানুয়ারি থেকে নতুন ক্লাস শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে, যাতে কোনো ধরনের অপেক্ষার সময় না থাকে।

কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় ইউজিসির সদস্য, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, আইকিউএসি সেলের পরিচালক, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow