‘বিসিবির নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ, দ্রুতই বসব’
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ নির্বাচন এবং পরিচালনা পর্ষদ নিয়ে বিরাজমান সংকটের দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন নতুন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। গত নভেম্বরে সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগে বড় এক অংশ নির্বাচন বয়কট করার পর যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল, তা নিরসনে আলোচনার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার দায়িত্ব গ্রহণের পর সন্ধ্যায় মিরপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সাবেক এই তারকা ফুটবলার। বিসিবির নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি সরাসরি বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি, এখনো বলছি- ক্রিকেট বোর্ডের সর্বশেষ নির্বাচনটি ছিল অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ। বিষয়টি যেহেতু আইসিসির অধীনে এবং তাদের নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন রয়েছে, তাই আমরা আইসিসির বিধি-বিধান মেনেই সবার সাথে বসব। আলোচনার মাধ্যমে কিভাবে একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছানো যায়, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।’ তিনি আরও জানান, আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সাথে পর্যালোচনার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করবেন তিনি। উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে বিসিবির নির্বাচনের আগমুহূর্তে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে ১৬টি ক্লাবের কাউন্সিলররা সরে দাঁড়ান। এ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সর্বশেষ নির্বাচন এবং পরিচালনা পর্ষদ নিয়ে বিরাজমান সংকটের দীর্ঘস্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দিয়েছেন নতুন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। গত নভেম্বরে সরকারি হস্তক্ষেপের অভিযোগে বড় এক অংশ নির্বাচন বয়কট করার পর যে অচলাবস্থা তৈরি হয়েছিল, তা নিরসনে আলোচনার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।
মঙ্গলবার দায়িত্ব গ্রহণের পর সন্ধ্যায় মিরপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন সাবেক এই তারকা ফুটবলার। বিসিবির নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি সরাসরি বলেন, ‘আমি আগেও বলেছি, এখনো বলছি- ক্রিকেট বোর্ডের সর্বশেষ নির্বাচনটি ছিল অত্যন্ত প্রশ্নবিদ্ধ। বিষয়টি যেহেতু আইসিসির অধীনে এবং তাদের নির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন রয়েছে, তাই আমরা আইসিসির বিধি-বিধান মেনেই সবার সাথে বসব। আলোচনার মাধ্যমে কিভাবে একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য পর্যায়ে পৌঁছানো যায়, সেটিই আমাদের লক্ষ্য।’
তিনি আরও জানান, আইসিসি ও সংশ্লিষ্ট পক্ষের সাথে পর্যালোচনার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত মন্তব্য করবেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত বছরের নভেম্বরে বিসিবির নির্বাচনের আগমুহূর্তে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে ১৬টি ক্লাবের কাউন্সিলররা সরে দাঁড়ান। এর পরপরই বর্তমান বোর্ডের অধীনে কোনো ধরনের ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দেয় ঢাকার ৪৫টি ক্লাব। ক্রিকেট পাড়ায় এই অস্থিরতার রেশ এখনো কাটেনি, যার প্রভাব পড়েছে মাঠের ক্রিকেটেও।
ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার সংকল্প ব্যক্ত করে আমিনুল হক বলেন, ‘দীর্ঘদিনের এই জঞ্জাল একদিনে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়, এর জন্য দীর্ঘমেয়াদী সংস্কার প্রয়োজন। তবে আমি একটি বিষয় নিশ্চিত করতে চাই- খেলাধুলাকে আর কোনো রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম হতে দেওয়া হবে না। যারা সত্যিকার অর্থে খেলাকে ভালোবাসেন এবং স্পোর্টিং কমিউনিটির সাথে যুক্ত, তাদেরই সঠিক দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেওয়া হবে।’
এসকেডি/আইএইচএস/
What's Your Reaction?