বিয়ে নিয়ে মুশকিল আসান, ব্যয় সামলাবে ‘বিবাহ ঋণ’
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) সৈনিক পদে চাকরি করেন রাশেদুল ইসলাম। চাকরির বয়স তিন বছর পার হলেও বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় নগদ অর্থ জমাতে পারেননি তিনি। এজন্য বারবার তার বিয়ের তারিখ পিছিয়ে যাচ্ছিল।
একপর্যায়ে পরিবারের পক্ষ থেকে পাত্রী দেখার কাজ এগিয়ে গেলেও আর্থিক সীমাবদ্ধতা বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। শেষ পর্যন্ত এক সহকর্মী মুশকিল আসান হয়ে আসেন। জানান বিবাহ ঋণের বিষয়ে। পরে সীমান্ত ব্যাংক থেকে পাঁচ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে সারেন বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা।
বিয়ে করতে গিয়ে রাশেদুলের মতো অনেকেই অর্থ সংকুলান নিয়ে মুশকিলে পড়েন। এক্ষেত্রে মুশকিল আসান হতে পারে দেশের বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে দেওয়া বিবাহ ঋণ সুবিধা। বিয়ের খরচের জন্য সাধারণত ২৫ হাজার টাকা থেকে শুরু করে প্রায় ২০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ নেওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এই ঋণ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করতে হয়, যেখানে পরিশোধের সর্বোচ্চ সময়সীমা সাধারণত পাঁচ বছর। তবে কিস্তির সংখ্যা যত বেশি হবে, মোট সুদের পরিমাণও তত বাড়বে।
বাণিজ্যিক ব্যাংক বর্তমানে ‘বিবাহ লোন’ বা ব্যক্তিগত ঋণের একটি বিশেষ অংশ হিসেবে বিয়ের জন্য ঋণের সুবিধা দিচ্ছে। এটি মূলত ভোক্তা ঋণের অ