বিয়ে নিয়ে লুকোচুরি, দ্বিতীয় স্ত্রীর ভয়ঙ্কর প্রতিশোধ

ইতালির নাপোলিতে এক বাংলাদেশির বিশেষ অঙ্গ কর্তনের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১ মে) এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের বাড়ি খুলনায়। ইতালিতে সচ্ছল জীবনের আশায় এসে তিনি নাপোলির আংরি এলাকায় স্থায়ী হন।  স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে মিজানুরের আগে থেকেই স্ত্রী ও সংসার রয়েছে। কিন্তু ইতালিতে আসার পর তিনি এক বাংলাদেশি নারীর প্রেমে পড়েন এবং তাকে বিয়ে করে ঘর শুরু করেন। তবে ইতালিতে থাকা সেই দ্বিতীয় স্ত্রী জানতেনই না যে মিজানুরের পেছনের জীবনে আরেকটি বিশাল সত্য গোপন রয়েছে। বিপত্তি বাধে যখন মিজানুর রহমানের প্রথম স্ত্রী বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেন। কোনো এক মাধ্যমে ইতালিতে থাকা দ্বিতীয় স্ত্রী জানতে পারেন, তার স্বামী কেবল তার একার নয় বরং বাংলাদেশে তার অন্য এক সংসার রয়েছে এবং সেই প্রথম স্ত্রী খুব শিগগিরই ইতালিতে পা রাখছেন। শুক্রবার রাতে যখন মিজানুর রহমান গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন তখনই ঘটে সেই ঘটনা। দ্বিতীয় স্ত্রী একটি ধারাল অস্ত্র দিয়ে ঘুমন্ত মিজানের গোপনাঙ্গ শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন। মিজানের চিৎকারে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে। মিজানুর রহমান বর

বিয়ে নিয়ে লুকোচুরি, দ্বিতীয় স্ত্রীর ভয়ঙ্কর প্রতিশোধ

ইতালির নাপোলিতে এক বাংলাদেশির বিশেষ অঙ্গ কর্তনের অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১ মে) এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের বাড়ি খুলনায়। ইতালিতে সচ্ছল জীবনের আশায় এসে তিনি নাপোলির আংরি এলাকায় স্থায়ী হন। 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশে মিজানুরের আগে থেকেই স্ত্রী ও সংসার রয়েছে। কিন্তু ইতালিতে আসার পর তিনি এক বাংলাদেশি নারীর প্রেমে পড়েন এবং তাকে বিয়ে করে ঘর শুরু করেন। তবে ইতালিতে থাকা সেই দ্বিতীয় স্ত্রী জানতেনই না যে মিজানুরের পেছনের জীবনে আরেকটি বিশাল সত্য গোপন রয়েছে।

বিপত্তি বাধে যখন মিজানুর রহমানের প্রথম স্ত্রী বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে আসার প্রক্রিয়া শুরু করেন। কোনো এক মাধ্যমে ইতালিতে থাকা দ্বিতীয় স্ত্রী জানতে পারেন, তার স্বামী কেবল তার একার নয় বরং বাংলাদেশে তার অন্য এক সংসার রয়েছে এবং সেই প্রথম স্ত্রী খুব শিগগিরই ইতালিতে পা রাখছেন।

শুক্রবার রাতে যখন মিজানুর রহমান গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন তখনই ঘটে সেই ঘটনা। দ্বিতীয় স্ত্রী একটি ধারাল অস্ত্র দিয়ে ঘুমন্ত মিজানের গোপনাঙ্গ শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলেন। মিজানের চিৎকারে আশপাশের মানুষ ছুটে এসে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে।

মিজানুর রহমান বর্তমানে নাপোলির একটি হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। অন্যদিকে, এই নৃশংস ঘটনার পর স্থানীয় ইতালিয়ান পুলিশ অভিযুক্ত স্ত্রীকে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেপ্তার করেছে। তিনি বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে গুরুতর শারীরিক আঘাত ও অঙ্গহানির দায়ে মামলা করা হয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow