বিয়ে বাড়িতে মাংস কম দেওয়ায় পিটিয়ে হত্যা
গাইবান্ধায় বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়ার দ্বন্দ্বে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় হওয়া মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব- ১৩। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান র্যাব-১৩ এর মিডিয়া বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী। এর আগে বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে ঘাগোয়া ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা থেকে তাকে আটক করে র্যাব- ১৩ এর সদস্যরা। গ্রেপ্তারকৃত ওই আসামির নাম গোলজার রহমান (৪৫)। তিনি উত্তর ঘাগোয়া(টেঙ্গরজানি) গ্রামের মৃত আব্দুর সামাদের ছেলে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ২২ জুন রাতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মেয়ের বাড়িতে খাবার পরিবেশন নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্লেটে মাংস কম দেওয়া নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে মনোয়ারা বেগম নামে আরেক আসামি ভুক্তভোগী ছায়দার আলীর মুখের দিকে খাবার ভর্তি প্লেট নিক্ষেপ করেন। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং পরে গোলজার রহমানসহ আরও ১৫-২০ জন মিলে লাঠি, লোহার রড ও রান্নার কাঠ দিয়ে ছায়দার আলীর ওপর হামলা চালায়। এতে গুরুতর আহত হন ছায়দার। পরে তাকে স্বজনরা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রথমে গাইবান্ধা সদর হাসপাত
গাইবান্ধায় বিয়ের অনুষ্ঠানে মাংস কম দেওয়ার দ্বন্দ্বে এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় হওয়া মামলার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব- ১৩।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) বিকেলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানান র্যাব-১৩ এর মিডিয়া বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী। এর আগে বুধবার (১ এপ্রিল) রাতে ঘাগোয়া ইউনিয়ন পরিষদ এলাকা থেকে তাকে আটক করে র্যাব- ১৩ এর সদস্যরা।
গ্রেপ্তারকৃত ওই আসামির নাম গোলজার রহমান (৪৫)। তিনি উত্তর ঘাগোয়া(টেঙ্গরজানি) গ্রামের মৃত আব্দুর সামাদের ছেলে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৫ সালের ২২ জুন রাতে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে মেয়ের বাড়িতে খাবার পরিবেশন নিয়ে বিরোধের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ রয়েছে, প্লেটে মাংস কম দেওয়া নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে মনোয়ারা বেগম নামে আরেক আসামি ভুক্তভোগী ছায়দার আলীর মুখের দিকে খাবার ভর্তি প্লেট নিক্ষেপ করেন। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং পরে গোলজার রহমানসহ আরও ১৫-২০ জন মিলে লাঠি, লোহার রড ও রান্নার কাঠ দিয়ে ছায়দার আলীর ওপর হামলা চালায়।
এতে গুরুতর আহত হন ছায়দার। পরে তাকে স্বজনরা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য প্রথমে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে নেয় এবং পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করে চিকিৎসকরা। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন বিকেলে তার মৃত্যু হয়। পরে এ ঘটনায় নিহতের ছেলে বাদী হয়ে গাইবান্ধা সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
র্যাব-১৩ এর মিডিয়া বিভাগের সিনিয়র সহকারী পরিচালক বিপ্লব কুমার গোস্বামী বলেন, গাইবান্ধায় র্যাব -১৩ ক্যাম্পের একটি অভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আসামিকে স্থানীয় ঘাগোয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামন থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আসামিকে সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
What's Your Reaction?