বুড়িচংয়ে অকটেন নিয়ে বিরোধে আগুন: পুড়ে ছাই দুই প্লাস্টিক কারখানা, দগ্ধ ৩

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় অকটেন ভাগাভাগি নিয়ে তুচ্ছ বিরোধের জেরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুটি প্লাস্টিক কারখানা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং তিনজন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার কালাকচুয়া সংলগ্ন শাহদৌলতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অকটেন ভাগাভাগি নিয়ে কয়েকজনের মধ্যে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে একটি জ্বলন্ত বিড়ির আগুন পাশের প্লাস্টিক কারখানায় পড়ে যায়। মুহূর্তেই আগুন দাউ দাউ করে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর আগেই দুটি কারখানার প্রায় ১৫ থেকে ১৭ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন স্থানীয় তিনজন—ওহেদ ভুঁইয়ার ছেলে মো. সোলাইমান (৩২), নজরুল ইসলাম নজার ছেলে তানভীর হোসেন (১৯) এবং শরীফ মিয়ার ছেলে মো. শুভ। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। কারখানার মালিক বিল্লাল হোসেন ও নজরুল ইসলাম বলেন, “আমরা তখন কারখানায় ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ ‘আগুন, আগুন’ চিৎকার শুনে দৌড়ে বের হয়ে কোনোমতে প্রাণে বাঁচি। আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে।” বুড়িচং থান

বুড়িচংয়ে অকটেন নিয়ে বিরোধে আগুন: পুড়ে ছাই দুই প্লাস্টিক কারখানা, দগ্ধ ৩

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় অকটেন ভাগাভাগি নিয়ে তুচ্ছ বিরোধের জেরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুটি প্লাস্টিক কারখানা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে এবং তিনজন গুরুতর দগ্ধ হয়েছেন।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার কালাকচুয়া সংলগ্ন শাহদৌলতপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, অকটেন ভাগাভাগি নিয়ে কয়েকজনের মধ্যে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে একটি জ্বলন্ত বিড়ির আগুন পাশের প্লাস্টিক কারখানায় পড়ে যায়। মুহূর্তেই আগুন দাউ দাউ করে ছড়িয়ে পড়ে এবং দ্রুত পুরো কারখানায় ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এর আগেই দুটি কারখানার প্রায় ১৫ থেকে ১৭ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এ ঘটনায় দগ্ধ হয়েছেন স্থানীয় তিনজন—ওহেদ ভুঁইয়ার ছেলে মো. সোলাইমান (৩২), নজরুল ইসলাম নজার ছেলে তানভীর হোসেন (১৯) এবং শরীফ মিয়ার ছেলে মো. শুভ। তাদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।

কারখানার মালিক বিল্লাল হোসেন ও নজরুল ইসলাম বলেন, “আমরা তখন কারখানায় ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ ‘আগুন, আগুন’ চিৎকার শুনে দৌড়ে বের হয়ে কোনোমতে প্রাণে বাঁচি। আমাদের সব শেষ হয়ে গেছে।”

বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow