বৃদ্ধা মাকে মারধর ও বাড়ি ছাড়া করার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় সাদা রানী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা মাকে মারধর ও ঘর থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার নিজের ছেলের বিরুদ্ধে। এই অমানবিক ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ছেলে সাদা মিয়ার (৪০) বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী মা। সম্প্রতি উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চকদরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতা সাদা রানী ওই গ্রামের মৃত নুরুজ্জামান প্রামাণিকের স্ত্রী। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত নুরুজ্জামান প্রামাণিকের ছেলে সাদা মিয়া দীর্ঘদিন ধরে তার মা সাদা রানীকে নানাভাবে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৮ মার্চ সকালে সাদা মিয়া তার স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে সাদা রানীর বসতঘর দখলের চেষ্টা চালান। এতে বাধা দিতে গেলে বৃদ্ধা মাকে গলাচেপে ধরে মারধর করা হয় এবং একপর্যায়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ভুক্তভোগী সাদা রানী বলেন, নিজের ছেলের হাতের মার থেকে কোনোমতে প্রাণ নিয়ে বেঁচে ফিরেছি। এখ

বৃদ্ধা মাকে মারধর ও বাড়ি ছাড়া করার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় সাদা রানী (৬৫) নামে এক বৃদ্ধা মাকে মারধর ও ঘর থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তার নিজের ছেলের বিরুদ্ধে। এই অমানবিক ঘটনার প্রতিকার চেয়ে ছেলে সাদা মিয়ার (৪০) বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তভোগী মা।

সম্প্রতি উপজেলার খোর্দ্দকোমরপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ চকদরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিতা সাদা রানী ওই গ্রামের মৃত নুরুজ্জামান প্রামাণিকের স্ত্রী।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মৃত নুরুজ্জামান প্রামাণিকের ছেলে সাদা মিয়া দীর্ঘদিন ধরে তার মা সাদা রানীকে নানাভাবে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৮ মার্চ সকালে সাদা মিয়া তার স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে সাদা রানীর বসতঘর দখলের চেষ্টা চালান। এতে বাধা দিতে গেলে বৃদ্ধা মাকে গলাচেপে ধরে মারধর করা হয় এবং একপর্যায়ে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে পলাশবাড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

ভুক্তভোগী সাদা রানী বলেন, নিজের ছেলের হাতের মার থেকে কোনোমতে প্রাণ নিয়ে বেঁচে ফিরেছি। এখন ছেলে ও তার পরিবার আমাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। আমি বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি এবং এই অন্যায়ের সুষ্ঠু বিচার চাই। 

তবে অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত সাদা মিয়া বিষয়টি এড়িয়ে গিয়ে বলেন, মায়ের সঙ্গে বড় কোনো ঘটনা ঘটেনি। পারিবারিক সামান্য বিষয় নিয়ে একটু ঝামেলা হয়েছে মাত্র। 

এ বিষয়ে জানতে সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদুল হাসানের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহল এই ন্যক্কারজনক ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow