বৃদ্ধাকে হত্যার পর স্বর্ণালংকার লুট করে পালাল দিনমজুররা

কুমিল্লার চান্দিনায় ছমিরন বেগম নামের এক বৃদ্ধাকে হত্যা করে স্বর্ণালংকার ও টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে ধান কাটার জন্য ভাড়া করা দিনমজুরদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২ মে) রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ছমিরন বেগম (৬৫) ওই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল বাতেনের স্ত্রী। নিহতের ছেলে কৃষক বশির জানান, গত সোমবার ক্যান্টনমেন্ট বাজার থেকে চারজন দিনমজুরকে ধান কাটার জন্য বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। ঘটনার একদিন আগে বিকেলে তাদের একজন তার মোবাইল ফোন চুরি করে পালিয়ে যায়। পরে বাকি শ্রমিকরা ফোনটি উদ্ধার করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বাড়িতে অবস্থান করে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, গভীর রাতে তার মায়ের হাত বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করে শ্রমিকরা। পরে ঘরে থাকা প্রায় ৭০ হাজার টাকা এবং তার মায়ের নাক, কান ও গলায় থাকা স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায় তারা। সকালে ঘুম থেকে উঠে মাকে ডাকতে গিয়ে তার মরদেহ দেখতে পান তিনি। বশির আরও বলেন, শুরু থেকেই শ্রমিকদের কাজে অনীহা ও গড়িমসি লক্ষ্য করছিলেন। মোবাইল চুরির ঘটনার পর তাদের আচরণ আরও সন্দেহজনক হয়ে ও

বৃদ্ধাকে হত্যার পর স্বর্ণালংকার লুট করে পালাল দিনমজুররা

কুমিল্লার চান্দিনায় ছমিরন বেগম নামের এক বৃদ্ধাকে হত্যা করে স্বর্ণালংকার ও টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে ধান কাটার জন্য ভাড়া করা দিনমজুরদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

শনিবার (২ মে) রাত আনুমানিক ১টার দিকে উপজেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ছমিরন বেগম (৬৫) ওই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল বাতেনের স্ত্রী।

নিহতের ছেলে কৃষক বশির জানান, গত সোমবার ক্যান্টনমেন্ট বাজার থেকে চারজন দিনমজুরকে ধান কাটার জন্য বাড়িতে নিয়ে আসেন তিনি। ঘটনার একদিন আগে বিকেলে তাদের একজন তার মোবাইল ফোন চুরি করে পালিয়ে যায়। পরে বাকি শ্রমিকরা ফোনটি উদ্ধার করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে বাড়িতে অবস্থান করে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, গভীর রাতে তার মায়ের হাত বেঁধে শ্বাসরোধে হত্যা করে শ্রমিকরা। পরে ঘরে থাকা প্রায় ৭০ হাজার টাকা এবং তার মায়ের নাক, কান ও গলায় থাকা স্বর্ণালংকার লুট করে পালিয়ে যায় তারা। সকালে ঘুম থেকে উঠে মাকে ডাকতে গিয়ে তার মরদেহ দেখতে পান তিনি।

বশির আরও বলেন, শুরু থেকেই শ্রমিকদের কাজে অনীহা ও গড়িমসি লক্ষ্য করছিলেন। মোবাইল চুরির ঘটনার পর তাদের আচরণ আরও সন্দেহজনক হয়ে ওঠে।

চান্দিনা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিজানুর রহমান জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে এবং মরদেহ থানায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। তদন্ত শেষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow