বৃষ্টির বাগড়ায় ঈদের দিনেও ফাঁকা কুয়াকাটা
ঈদের আনন্দঘন পরিবেশে পর্যটকদের ভিড়ে মুখর থাকার কথা ছিল দেশের অন্যতম সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটা। তবে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এবারের ঈদের দিনে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র এই জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল থেকেই আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর মৃদু বাতাসে ফাঁকা হয়ে পড়ে রাস্তাঘাট। প্রতি বছর ঈদের দিন সকাল থেকেই আশপাশের জেলা-উপজেলা থেকে নানা বয়সের দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর থাকে সৈকত এলাকা। তবে এবার সেই চেনা দৃশ্যের দেখা মেলেনি। বিশাল বালুচর জুড়ে বিরাজ করেছে নির্জনতা। স্থানীয় হোটেল ও রিসোর্ট ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদকে ঘিরে নানা প্রস্তুতি থাকলেও বৃষ্টির কারণে কার্যত অলস সময় পার করতে হচ্ছে তাদের। কুয়াকাটা সৈকতের দোলনা ব্যবসায়ী মো. জলিল সুকানী আক্ষেপ করে বলেন, দুই মাস ধরে আমরা অপেক্ষা করেছি। প্রতিবছরের মতো এবারও প্রস্তুতি নিয়েছি, কিন্তু কোনো পর্যটক নেই। আজ অন্তত ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। এখন বৃষ্টি থামার অপেক্ষায় আছি। কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা জানান, ঈদ মৌসুম তাদের ব্যবসার প্রধান সময়। কিন্তু টানা বৃষ্টিপাত চলতে থাকলে বড় ধরনের আর্থিক ক্
ঈদের আনন্দঘন পরিবেশে পর্যটকদের ভিড়ে মুখর থাকার কথা ছিল দেশের অন্যতম সমুদ্রসৈকত কুয়াকাটা। তবে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে এবারের ঈদের দিনে সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র এই জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্রে।
শনিবার (২১ মার্চ) সকাল থেকেই আকাশ ছিল মেঘাচ্ছন্ন। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি আর মৃদু বাতাসে ফাঁকা হয়ে পড়ে রাস্তাঘাট। প্রতি বছর ঈদের দিন সকাল থেকেই আশপাশের জেলা-উপজেলা থেকে নানা বয়সের দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর থাকে সৈকত এলাকা। তবে এবার সেই চেনা দৃশ্যের দেখা মেলেনি। বিশাল বালুচর জুড়ে বিরাজ করেছে নির্জনতা।
স্থানীয় হোটেল ও রিসোর্ট ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদকে ঘিরে নানা প্রস্তুতি থাকলেও বৃষ্টির কারণে কার্যত অলস সময় পার করতে হচ্ছে তাদের।
কুয়াকাটা সৈকতের দোলনা ব্যবসায়ী মো. জলিল সুকানী আক্ষেপ করে বলেন, দুই মাস ধরে আমরা অপেক্ষা করেছি। প্রতিবছরের মতো এবারও প্রস্তুতি নিয়েছি, কিন্তু কোনো পর্যটক নেই। আজ অন্তত ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে। এখন বৃষ্টি থামার অপেক্ষায় আছি।
কুয়াকাটা হোটেল-মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা জানান, ঈদ মৌসুম তাদের ব্যবসার প্রধান সময়। কিন্তু টানা বৃষ্টিপাত চলতে থাকলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়তে হবে।
ট্যুরিস্ট পুলিশ কুয়াকাটা অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার হাবিবুর রহমান বলেন, অন্যান্য বছরের তুলনায় এবারের ঈদে পর্যটকের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কম। তবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
এদিকে পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী জানান, উপকূলীয় এলাকায় আগামী ৭২ ঘণ্টা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। ফলে পর্যটক সমাগম বাড়বে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়ে গেছে।
ঈদের ছুটিতে কুয়াকাটার এমন নিস্তব্ধতা স্থানীয়দের মধ্যেও হতাশা তৈরি করেছে। তবে অনেকেই আশা করছেন, আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে ছুটির বাকি দিনগুলোতে আবারও প্রাণ ফিরে পাবে এই সমুদ্র সৈকত।
আসাদুজ্জামান মিরাজ/এফএ/এএসএম
What's Your Reaction?