বেতন-ভাতা দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ শ্রমিকদের

ময়মনসিংহের ভালুকায় বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাসের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা। এতে মহাসড়কে যানবাহন আটকা পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কাঁঠালি এলাকায় অবস্থিত শেফার্ড জিন্স লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করেন। সেনাবাহিনী, ভালুকা মডেল থানা ও শিল্প পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করেছে। কারখানার শ্রমিকরা জানান, শ্রমিকদের দুই মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। আজ বেতন-বোনাস দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ টাকা না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শ্রমিকরা। একপর্যায়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন। কারখানটির শ্রমিক নাজমা খাতুন বলেন, ‘ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি রয়েছে। অথচ আমাদের বেতন-ভাতা দেওয়া হচ্ছে না। বেতন না দিলে পরিবারের জন্য ঈদের পোশাক কেনা সম্ভব হবে না। ঈদের সময়টুকু ভালো কাটবে না। কারখানা কর্তৃপক্ষ কথা দিয়ে কথা রাখেনি। তাই মহাসড়ক অবরোধ করা হয়েছে।’ যানজটে বাস আটকা পড়ে গাড়িতে বসেছিলেন ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন দাবি পূরণ না হলেই লোকজন মহাসড়কে নেমে আসে। এতে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েন

বেতন-ভাতা দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ শ্রমিকদের

ময়মনসিংহের ভালুকায় বেতন-ভাতা ও ঈদ বোনাসের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন শ্রমিকরা। এতে মহাসড়কে যানবাহন আটকা পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

বুধবার (১১ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার কাঁঠালি এলাকায় অবস্থিত শেফার্ড জিন্স লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করেন। সেনাবাহিনী, ভালুকা মডেল থানা ও শিল্প পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে চেষ্টা করেছে।

কারখানার শ্রমিকরা জানান, শ্রমিকদের দুই মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে। আজ বেতন-বোনাস দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ টাকা না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন শ্রমিকরা। একপর্যায়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।

কারখানটির শ্রমিক নাজমা খাতুন বলেন, ‘ঈদের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি রয়েছে। অথচ আমাদের বেতন-ভাতা দেওয়া হচ্ছে না। বেতন না দিলে পরিবারের জন্য ঈদের পোশাক কেনা সম্ভব হবে না। ঈদের সময়টুকু ভালো কাটবে না। কারখানা কর্তৃপক্ষ কথা দিয়ে কথা রাখেনি। তাই মহাসড়ক অবরোধ করা হয়েছে।’

যানজটে বাস আটকা পড়ে গাড়িতে বসেছিলেন ফরহাদ হোসেন। তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন দাবি পূরণ না হলেই লোকজন মহাসড়কে নেমে আসে। এতে সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েন যানবাহনের যাত্রীরা। যেসব কারখানা কর্তৃপক্ষ ঠিকমতো বেতন দিতে পারে না, সেগুলো নিজ উদ্যোগেই বন্ধ করে দেওয়া উচিত।’

এ বিষয়ে শেফার্ড জিন্স লিমিটেড কারখানা কর্তৃপক্ষের কেউ কথা বলতে রাজি হননি।

তবে ভালুকা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘কারখানা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে। শ্রমিকদের বুঝিয়ে মহাসড়ক থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে।’

কামরুজ্জামান মিন্টু/এসআর/জেআইএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow