বেসরকারি চাকরিজীবীরা অবসরে পাবেন ৩০ শতাংশ গ্র্যাচুইটি
বেসরকারি খাতের কর্মীদের অবসরকালীন আর্থিক নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার আওতায় থাকা বেসরকারি কর্মীরা অবসরের সময় জমাকৃত মোট অর্থের ৩০ শতাংশ এককালীন গ্র্যাচুইটি হিসেবে পাবেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা বলেন। বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিকে সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে অবসরের সময় অংশগ্রহণকারীরা তাদের সঞ্চিত মোট অর্থের ৩০ শতাংশ এককালীন গ্র্যাচুইটি হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন। এ উদ্যোগের ফলে বেসরকারি খাতের কর্মীদের অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা বাড়বে এবং সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও অংশগ্রহণও বৃদ্ধি পাবে। নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই ব্যয় ছিল ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ
বেসরকারি খাতের কর্মীদের অবসরকালীন আর্থিক নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার আওতায় থাকা বেসরকারি কর্মীরা অবসরের সময় জমাকৃত মোট অর্থের ৩০ শতাংশ এককালীন গ্র্যাচুইটি হিসেবে পাবেন।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এ কথা বলেন।
বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশের বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিকে সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে অবসরের সময় অংশগ্রহণকারীরা তাদের সঞ্চিত মোট অর্থের ৩০ শতাংশ এককালীন গ্র্যাচুইটি হিসেবে গ্রহণ করতে পারবেন।
এ উদ্যোগের ফলে বেসরকারি খাতের কর্মীদের অবসর-পরবর্তী আর্থিক নিরাপত্তা বাড়বে এবং সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও অংশগ্রহণও বৃদ্ধি পাবে।
নতুন অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এই ব্যয় ছিল ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। বাজেটে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা।
প্রস্তাবিত বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হচ্ছে ৬ লাখ ৫ হাজার ৭৪০ কোটি টাকা, যা চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের (৫ লাখ ৬৭ হাজার ৫৩৮ কোটি টাকা) চেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেশি। দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের গতি সচল রাখতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিসহ (এডিপি) মোট উন্নয়ন ব্যয় ধরা হচ্ছে ৩ লাখ ১৬ হাজার ৭৫ কোটি টাকা।
এফএইচ/এমএমকে
What's Your Reaction?