বেহাল চকরিয়া পৌরশহর, ভাঙা সড়কে বিপর্যস্ত জনজীবন
কক্সবাজারের অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র চকরিয়া পৌরসভা। কিন্তু বর্তমানে এ পৌরশহরের প্রধান সড়কগুলোর চিত্র একেবারেই বেহাল। মগবাজার-থানা রাস্তার মাথা সড়ক, জনতা মার্কেট-ঘনশ্যাম বাজার সড়ক, হালকাকারা-ফুলতলা সড়কসহ শহরের ভেতর দিয়ে যাওয়া প্রধান সড়কগুলোর পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দ আর গর্তের। ফলে প্রতিদিন যাতায়াত করতে গিয়ে চরম ভোগান্তি আর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজার হাজার পথচারী ও যাত্রীদের। দুর্ঘটনা ও তীব্র যানজট নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। চকরিয়া মহিলা (ডিগ্রি) কলেজ শিক্ষার্থী নূরে জান্নাত তারিন বলেন, আমি প্রতিদিন কলেজে যাতায়াত করি। কিন্তু সড়কের বেহাল দশার কারণে আমাদের চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির সময় রাস্তা বড়বড় গর্তে ডুবে থাকে। অনেক সময় কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। আফরোজা জেমি নামের এক শিক্ষিকা বলেন, এ জরাজীর্ণ অবস্থা এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক চরম অভিশাপ। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এই খানাখন্দে ভরা রাস্তা দিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে স্কুল-কলেজে যাতায়াত করছে। অনেক সময় দেখা যায়, নোংরা পানি ছিটকে শিক্ষার্থীদের পোশাক নষ্ট হয়ে যায়,আবার ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘট
কক্সবাজারের অন্যতম ব্যস্ত ও গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র চকরিয়া পৌরসভা। কিন্তু বর্তমানে এ পৌরশহরের প্রধান সড়কগুলোর চিত্র একেবারেই বেহাল। মগবাজার-থানা রাস্তার মাথা সড়ক, জনতা মার্কেট-ঘনশ্যাম বাজার সড়ক, হালকাকারা-ফুলতলা সড়কসহ শহরের ভেতর দিয়ে যাওয়া প্রধান সড়কগুলোর পিচ ও খোয়া উঠে গিয়ে সৃষ্টি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দ আর গর্তের। ফলে প্রতিদিন যাতায়াত করতে গিয়ে চরম ভোগান্তি আর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজার হাজার পথচারী ও যাত্রীদের। দুর্ঘটনা ও তীব্র যানজট নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
চকরিয়া মহিলা (ডিগ্রি) কলেজ শিক্ষার্থী নূরে জান্নাত তারিন বলেন, আমি প্রতিদিন কলেজে যাতায়াত করি। কিন্তু সড়কের বেহাল দশার কারণে আমাদের চলাচল করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। বৃষ্টির সময় রাস্তা বড়বড় গর্তে ডুবে থাকে। অনেক সময় কাপড় নষ্ট হয়ে যায়।
আফরোজা জেমি নামের এক শিক্ষিকা বলেন, এ জরাজীর্ণ অবস্থা এখন সাধারণ মানুষের জন্য এক চরম অভিশাপ। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এই খানাখন্দে ভরা রাস্তা দিয়ে অত্যন্ত ঝুঁকি নিয়ে স্কুল-কলেজে যাতায়াত করছে। অনেক সময় দেখা যায়, নোংরা পানি ছিটকে শিক্ষার্থীদের পোশাক নষ্ট হয়ে যায়,আবার ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটে তারা আহতও হচ্ছে।
চকরিয়া পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি শরিফুল ইসলাম বলেন, চকরিয়া পৌর শহরের প্রধান সড়কগুলোর বর্তমান অবস্থা দেখলে মনে হয় না আমরা কোনো আধুনিক পৌরসভায় বাস করছি। প্রতিটি সড়ক যেন একেকটি মৃত্যুফাঁদ। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তাগুলো পুকুরে পরিণত হয়। খানাখন্দের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। এ চরম অবহেলা আর মুখ বুজে সহ্য করতে পারি না। অবিলম্বে এ ভোগান্তির অবসান চাই।
অটোরিকশার চালক আব্দুল আলম বলেন, অধিকাংশ সড়কে মাঝে মাঝে ভাঙা ও গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তির পাশাপাশি ভাঙা অংশে ধীরগতির কারণে যানজটেরও সৃষ্টি হয়।
মামুনুর রশিদ নামের এক ব্যবসায়ী বলেন, চকরিয়া পৌরশহরের এই বেহাল রাস্তা আর বড়বড় খানাখন্দের কারণে দোকানে ক্রেতা আসতেই চান না। সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় পানি জমে পুকুর সৃষ্টি হয়। এতে আমাদের মালামাল নষ্ট হচ্ছে, আবার পরিবহন খরচও বেড়ে গেছে। দ্রুত রাস্তা মেরামতের উদ্যোগ নিলে আমরা বেঁচে যাই।
চকরিয়া পৌরসভা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি রেজাউল হক বলেন, খানাখন্দের কারণে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যে ধস নামার উপক্রম হয়েছে। ক্রেতারা মার্কেটে আসতে চান না। মালপত্র আনা-নেওয়া করতে গিয়ে পরিবহন খরচ অনেক বেড়ে গেছে। ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষ থেকে আমি প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়ক সংস্কারের কাজ শুরু করুন।
চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও চকরিয়া পৌরসভা প্রশাসক শাহীন দেলোয়ার কালবেলাকে বলেন, সড়ক সংস্কারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পৌরসভার প্রকৌশলীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
What's Your Reaction?