বেড়ে গেল জ্বালানি তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ বেড়েছে। ইরানের হুমকি ও যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তার পর বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন। সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১.৫৭ ডলার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৩.৭৬ ডলার। অন্যদিকে, মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রুডের দাম ৩.০৯ ডলার বা ৩.১৫ শতাংশ বেড়ে ১০১.৩২ ডলারে পৌঁছেছে। ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ডস কোর (IRGC) জানিয়েছে, তাদের বিদ্যুৎ খাতে হামলা হলে তারা ইসরায়েলের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু করবে। এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছেন। অন্যথায় ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছেন তিনি। বিশ্ব জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন Fatih Birol, যিনি International Energy Agency-এর নির্বাহী পরিচালক। তিনি বলেন, বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য সংকট “অত্যন্ত গুরুতর” এবং ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে। বিশ্লেষকদে

বেড়ে গেল জ্বালানি তেলের দাম

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকায় বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৩ শতাংশ বেড়েছে। ইরানের হুমকি ও যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কবার্তার পর বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলে বিশ্লেষকরা জানিয়েছেন।

সোমবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১.৫৭ ডলার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১৩.৭৬ ডলার। অন্যদিকে, মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) ক্রুডের দাম ৩.০৯ ডলার বা ৩.১৫ শতাংশ বেড়ে ১০১.৩২ ডলারে পৌঁছেছে।

ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশন গার্ডস কোর (IRGC) জানিয়েছে, তাদের বিদ্যুৎ খাতে হামলা হলে তারা ইসরায়েলের বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু করবে।

এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খুলে দেওয়ার আল্টিমেটাম দিয়েছেন। অন্যথায় ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছেন তিনি।

বিশ্ব জ্বালানি পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন Fatih Birol, যিনি International Energy Agency-এর নির্বাহী পরিচালক। তিনি বলেন, বর্তমান মধ্যপ্রাচ্য সংকট “অত্যন্ত গুরুতর” এবং ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে।

বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে প্রতিদিন ৭ থেকে ১০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ইতোমধ্যে হরমুজ প্রণালি, যা বিশ্বের প্রায় ২০% তেল ও তরলীকৃত গ্যাস পরিবহনের প্রধান পথ, সেখানে জাহাজ চলাচল প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।

এদিকে, ইরাক বিদেশি কোম্পানির পরিচালিত সব তেলক্ষেত্রে ‘ফোর্স মাজর’ ঘোষণা করেছে। দেশটির Hayan Abdel-Ghani জানিয়েছেন, বসরা অয়েল কোম্পানির উৎপাদন ৩.৩ মিলিয়ন ব্যারেল থেকে কমে ৯ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে।

অন্যদিকে, এশিয়ার বিভিন্ন দেশ, বিশেষ করে ভারত, পুনরায় ইরানি তেল আমদানির বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে জানা গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চলমান উত্তেজনা অব্যাহত থাকলে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে আরও বড় ধরনের অস্থিরতা এবং মূল্যবৃদ্ধি দেখা দিতে পারে।


 সূত্র- Reuters.

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow