বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনার পরিকল্পনা থাকলে ৫ বিষয় মাথায় রাখবেন

  বর্তমান সময়ে বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) শুধু পরিবেশবান্ধব নয়, এটি দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খরচও কমায়। বিশ্বের অনেক দেশ এবং বাংলাদেশেও এখন বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তবে বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক মাথায় না রাখলে পরবর্তীতে সমস্যা বা অতিরিক্ত খরচের মুখোমুখি হতে পারেন। চলুন জেনে আসি ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যেগুলো খেয়াল না রাখলে বৈদ্যুতিক গাড়ি কিনে পস্তাতে পারেন- ১. ব্যাটারি এবং রেঞ্জবৈদ্যুতিক গাড়ির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ব্যাটারি। ব্যাটারির ক্ষমতা (কিলোমিটার প্রতি চার্জে চলার ক্ষমতা) দেখে গাড়ি নির্বাচন করা উচিত। যদি আপনি শহরের মধ্যেই বেশি চলাচল করেন, তাহলে ছোট রেঞ্জের ব্যাটারি যথেষ্ট। কিন্তু দীর্ঘ দূরত্বে বা শহরের বাইরের যাত্রার জন্য বড় ব্যাটারি দরকার। এছাড়া ব্যাটারির চার্জ ধরে রাখার ক্ষমতা (ডিগ্রেডেশন) ও ওয়ারেন্টি পরীক্ষা করা জরুরি। ২. চার্জিং সুবিধাবৈদ্যুতিক গাড়ি কিনতে হলে চার্জিং সুবিধা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিজের বাসায় চার্জিং পয়েন্ট থাকতে পারলে সুবিধা অনেক। যদি না থাকে, তাহলে নিকটবর্তী পাবলিক চার্জিং স্টেশন এবং তার ব্যবস্থাপনা খুঁজে দেখুন।

বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনার পরিকল্পনা থাকলে ৫ বিষয় মাথায় রাখবেন

 

বর্তমান সময়ে বৈদ্যুতিক গাড়ি (ইভি) শুধু পরিবেশবান্ধব নয়, এটি দীর্ঘমেয়াদে জ্বালানি খরচও কমায়। বিশ্বের অনেক দেশ এবং বাংলাদেশেও এখন বৈদ্যুতিক গাড়ির চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। তবে বৈদ্যুতিক গাড়ি কেনার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক মাথায় না রাখলে পরবর্তীতে সমস্যা বা অতিরিক্ত খরচের মুখোমুখি হতে পারেন।

চলুন জেনে আসি ৫টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, যেগুলো খেয়াল না রাখলে বৈদ্যুতিক গাড়ি কিনে পস্তাতে পারেন-

১. ব্যাটারি এবং রেঞ্জ
বৈদ্যুতিক গাড়ির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ব্যাটারি। ব্যাটারির ক্ষমতা (কিলোমিটার প্রতি চার্জে চলার ক্ষমতা) দেখে গাড়ি নির্বাচন করা উচিত। যদি আপনি শহরের মধ্যেই বেশি চলাচল করেন, তাহলে ছোট রেঞ্জের ব্যাটারি যথেষ্ট। কিন্তু দীর্ঘ দূরত্বে বা শহরের বাইরের যাত্রার জন্য বড় ব্যাটারি দরকার। এছাড়া ব্যাটারির চার্জ ধরে রাখার ক্ষমতা (ডিগ্রেডেশন) ও ওয়ারেন্টি পরীক্ষা করা জরুরি।

২. চার্জিং সুবিধা
বৈদ্যুতিক গাড়ি কিনতে হলে চার্জিং সুবিধা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নিজের বাসায় চার্জিং পয়েন্ট থাকতে পারলে সুবিধা অনেক। যদি না থাকে, তাহলে নিকটবর্তী পাবলিক চার্জিং স্টেশন এবং তার ব্যবস্থাপনা খুঁজে দেখুন। দ্রুত চার্জিং (ফাস্ট চার্জ) সমর্থন করা গাড়ি কিছুটা বেশি সুবিধাজনক, বিশেষ করে লম্বা ভ্রমণের সময়।

৩. রক্ষণাবেক্ষণ খরচ
ইভির রক্ষণাবেক্ষণ খরচ সাধারণ গাড়ির তুলনায় কম হলেও কিছু বিশেষ খরচ থাকে। যেমন: ব্যাটারি রিপ্লেসমেন্ট, ইলেকট্রিক্যাল সার্ভিসিং, নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট। গাড়ি কেনার আগে সার্ভিস সেন্টার, খুচরা যন্ত্রাংশের দাম এবং ওয়ারেন্টি পলিসি যাচাই করা জরুরি।

৪. দাম ও প্রণোদনা
বর্তমানে বৈদ্যুতিক গাড়ি প্রায়শই সাধারণ পেট্রোল বা ডিজেল গাড়ির তুলনায় বেশি দামি। তবে সরকার বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া প্রণোদনা ও কর ছাড়ের সুযোগ থাকলে তা বিবেচনা করে বাজেট ঠিক করতে হবে। এছাড়া কিছু ব্যয় যেমন হোম চার্জার বা চার্জিং কেবল অতিরিক্ত খরচ হতে পারে।

৫. গাড়ির ধরন ও প্রযুক্তি
ইভি অনেক ধরনের হতে পারে হ্যাচব্যাক, সেডান, এসইউভি বা মিনি ট্রাক। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী ধরন নির্বাচন করতে হবে। এছাড়াও গাড়ির প্রযুক্তি যেমন রিজেনারেটিভ ব্রেকিং, স্মার্ট কনেক্টিভিটি, অটোমেটেড ড্রাইভিং ফিচার এবং সফটওয়্যার আপডেট সুবিধা বিবেচনা করা উচিত। এগুলো ব্যবহারিক সুবিধা এবং ভবিষ্যতে মূল্য সংরক্ষণে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন
কতদিন পর পর গাড়ি পরিষ্কার করানো ভালো
টেসলা সাইবারট্রাক কেন আবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow