বৈদ্যুতিক স্কুটারে মাসে বিদ্যুৎ খরচ কত

  জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, সরবরাহে অনিশ্চয়তা এবং শহরের পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে বৈদ্যুতিক স্কুটারের ব্যবহার ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে। বিশেষ করে যারা দৈনন্দিন অফিস বা শহরের ছোট দূরত্বে যাতায়াত করেন, তাদের জন্য ই-স্কুটার একটি সাশ্রয়ী বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে অনেকেই জানতে চান, সপ্তাহে ২ বার চার্জ দিলে একটি বৈদ্যুতিক স্কুটারের মাসিক বিদ্যুৎ খরচ আসলে কত হয়। ধরা যাক, একটি হাই-পারফরম্যান্স বৈদ্যুতিক স্কুটার, যা ৩৫০ সিসির সমমানের পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম, সেটি একবার চার্জ দিতে গড়ে ৩ থেকে ৬ ইউনিট বিদ্যুৎ লাগে। যদি সপ্তাহে ২ বার করে চার্জ দেওয়া হয়, তাহলে মাসে মোট চার্জ দাঁড়ায় প্রায় ৮ থেকে ৯ বার। সেই হিসাবে মাসিক বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় আনুমানিক ২৫ থেকে ৫৫ ইউনিট। বাংলাদেশে বিদ্যুতের গড় দাম ব্যবহারভেদে প্রতি ইউনিট প্রায় ৭ থেকে ১২ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই হিসেবে মাসিক বিদ্যুৎ খরচ দাঁড়ায় প্রায় ২০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে। অর্থাৎ নিয়মিত ব্যবহারে একটি বৈদ্যুতিক স্কুটার চালাতে মাসে খুবই সামান্য বিদ্যুৎ খরচ হয়, যা পেট্রোল স্কুটারের তুলনায় অনেক কম। তুলনামূলকভাবে দেখা যায়, একটি ১২৫ থেকে ১

বৈদ্যুতিক স্কুটারে মাসে বিদ্যুৎ খরচ কত

 

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, সরবরাহে অনিশ্চয়তা এবং শহরের পরিবহন ব্যয় বেড়ে যাওয়ার কারণে বৈদ্যুতিক স্কুটারের ব্যবহার ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হচ্ছে। বিশেষ করে যারা দৈনন্দিন অফিস বা শহরের ছোট দূরত্বে যাতায়াত করেন, তাদের জন্য ই-স্কুটার একটি সাশ্রয়ী বিকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে অনেকেই জানতে চান, সপ্তাহে ২ বার চার্জ দিলে একটি বৈদ্যুতিক স্কুটারের মাসিক বিদ্যুৎ খরচ আসলে কত হয়।

ধরা যাক, একটি হাই-পারফরম্যান্স বৈদ্যুতিক স্কুটার, যা ৩৫০ সিসির সমমানের পারফরম্যান্স দিতে সক্ষম, সেটি একবার চার্জ দিতে গড়ে ৩ থেকে ৬ ইউনিট বিদ্যুৎ লাগে। যদি সপ্তাহে ২ বার করে চার্জ দেওয়া হয়, তাহলে মাসে মোট চার্জ দাঁড়ায় প্রায় ৮ থেকে ৯ বার। সেই হিসাবে মাসিক বিদ্যুৎ ব্যবহার হয় আনুমানিক ২৫ থেকে ৫৫ ইউনিট।

বাংলাদেশে বিদ্যুতের গড় দাম ব্যবহারভেদে প্রতি ইউনিট প্রায় ৭ থেকে ১২ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। এই হিসেবে মাসিক বিদ্যুৎ খরচ দাঁড়ায় প্রায় ২০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে। অর্থাৎ নিয়মিত ব্যবহারে একটি বৈদ্যুতিক স্কুটার চালাতে মাসে খুবই সামান্য বিদ্যুৎ খরচ হয়, যা পেট্রোল স্কুটারের তুলনায় অনেক কম।

তুলনামূলকভাবে দেখা যায়, একটি ১২৫ থেকে ১৫০ সিসির পেট্রোল স্কুটার চালাতে মাসে সাধারণত ৩-৬ হাজার টাকা বা তারও বেশি জ্বালানি খরচ হয়। ফলে ইলেকট্রিক স্কুটারে খরচ প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়, যা দীর্ঘমেয়াদে অনেক বেশি সাশ্রয়ী।

তবে কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। যেমন চার্জিং স্টেশনের অভাব, ব্যাটারি পরিবর্তনের উচ্চ খরচ, লোডশেডিংয়ের সমস্যা এবং দীর্ঘ দূরত্বে চলাচলের সীমাবদ্ধতা। এসব চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও জ্বালানি তেলের সংকট এবং খরচ বৃদ্ধির কারণে বৈদ্যুতিক স্কুটার ভবিষ্যতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন মাধ্যম হয়ে উঠতে পারে।

কেএসকে

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow