বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মামলায় ছাত্রলীগ নেতা গ্রেপ্তার
ঢাকার ধামরাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় করা একটি মামলায় রাসেল হোসেন নামে ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (০২ জুন) ভোরে উপজেলার সুয়াপুর ইউনিয়নের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রাসেল হোসেন (২৫) ধামরাই উপজেলার সুয়াপুর এলাকার বাসিন্দা। মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট নথিতে তাকে সুয়াপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ধামরাই বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় আহত এক পিকআপচালক মামলা করেন। মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের ৭-৮ হাজার নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ওইদিন বিকেলে ধামরাই বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশের এলাকায় কয়েক হাজার আন্দোলনকারী অবস্থান করছিলেন। এ সময় অস্ত্রধারী একদল ব্যক্তি আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় এবং গুলিবর্ষণ করে। এতে বাদী গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে সাভারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঢাকার ধামরাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় করা একটি মামলায় রাসেল হোসেন নামে ছাত্রলীগের এক নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (০২ জুন) ভোরে উপজেলার সুয়াপুর ইউনিয়নের নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার রাসেল হোসেন (২৫) ধামরাই উপজেলার সুয়াপুর এলাকার বাসিন্দা। মামলার তদন্তসংশ্লিষ্ট নথিতে তাকে সুয়াপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সক্রিয় সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ধামরাই বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় আহত এক পিকআপচালক মামলা করেন। মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের ৭-৮ হাজার নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ওইদিন বিকেলে ধামরাই বাসস্ট্যান্ড ও আশপাশের এলাকায় কয়েক হাজার আন্দোলনকারী অবস্থান করছিলেন। এ সময় অস্ত্রধারী একদল ব্যক্তি আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায় এবং গুলিবর্ষণ করে। এতে বাদী গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে সাভারের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আদালতে জমা দেওয়া তদন্ত কর্মকর্তার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গ্রেপ্তার রাসেল হোসেন মামলার ঘটনার সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত সন্দেহে আটক হয়েছেন। তদন্তের সময় সাক্ষ্য-প্রমাণ এবং বিভিন্ন সূত্র থেকে তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য পাওয়া গেছে।
পুলিশ জানায়, মঙ্গলবার ভোর চারটার দিকে অভিযান চালিয়ে রাসেলকে তার নিজ বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে থানায় এনে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলমান রয়েছে। মঙ্গলবার সকালে তাকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
আদালতে তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে বলা হয়েছে, মামলার তদন্ত এখনো চলমান। গ্রেপ্তার ব্যক্তির কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য যাচাই এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের বিষয়ে অনুসন্ধানের স্বার্থে তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন। ভবিষ্যতে প্রয়োজনে তাকে রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হতে পারে।
ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুল হুদা খান বলেন, মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ। মঙ্গলবার গ্রেপ্তার রাসেল হোসেনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।