ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিষ্পত্তি সর্বোচ্চ ২ মাস
দেশের ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গ বা অসদাচরণের অভিযোগ উঠলে তা সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। অভ্যন্তরীণ তদন্ত বা বিভাগীয় কার্যক্রম দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলিয়ে রাখার সুযোগ বন্ধ করতে এ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি-১) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। সার্কুলারটি দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) কাছে পাঠানো হয়েছে। আরও পড়ুন বিদায়ী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে নিয়ে আলাদা তদন্ত নয়: বাংলাদেশ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ২০০৫ সালে জারি করা সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা সংশোধন করে বর্তমান সময়ের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য আনা হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অভিযোগ নিষ্পত্তির সর্বোচ্চ সময়সীমা দুই মাস নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত ও বিভাগীয় কার্যক্রম শেষ হলে কর্মক্ষেত্রে শৃঙ্খলা, জবাবদিহি এবং সুশাসন নিশ্চিত করা সহজ হবে। পাশাপাশি অভিযোগ বছরের পর ব
দেশের ব্যাংকগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গ বা অসদাচরণের অভিযোগ উঠলে তা সর্বোচ্চ দুই মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে। অভ্যন্তরীণ তদন্ত বা বিভাগীয় কার্যক্রম দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলিয়ে রাখার সুযোগ বন্ধ করতে এ নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
রোববার (২৬ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ (বিআরপিডি-১) এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। সার্কুলারটি দেশের সব তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার (সিইও) কাছে পাঠানো হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ২০০৫ সালে জারি করা সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা সংশোধন করে বর্তমান সময়ের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য আনা হয়েছে। নতুন বিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশ শ্রম বিধিমালা, ২০১৫-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে অভিযোগ নিষ্পত্তির সর্বোচ্চ সময়সীমা দুই মাস নির্ধারণ করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তদন্ত ও বিভাগীয় কার্যক্রম শেষ হলে কর্মক্ষেত্রে শৃঙ্খলা, জবাবদিহি এবং সুশাসন নিশ্চিত করা সহজ হবে। পাশাপাশি অভিযোগ বছরের পর বছর অমীমাংসিত থাকার প্রবণতাও কমবে।
তবে সময়সীমা নির্ধারণ ছাড়া ২০০৫ সালের মূল সার্কুলারের অন্যান্য নির্দেশনা ও বিধান অপরিবর্তিত থাকবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
ইএআর/এমআরএম
What's Your Reaction?
