‘ব্রাজিলকে হারানোর সামর্থ্য আমাদের ছিল না’ মেনে নিলেন জাপানিজ ফুটবলার

২০২৬ বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ ব্রাজিলের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেওয়ার পর হতাশা প্রকাশ করেছেন জাপানের ১০ নম্বর তারকা রিৎসু দোয়ান। ম্যাচে শুরুতে এগিয়ে গেলেও শেষ মুহূর্তে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির গোলে হারতে হয় জাপানকে। হিউস্টনের স্টেডিয়ামের মিক্সড জোনে সংবাদমাধ্যমকে দোয়ান বলেন, ‘এটা আমাদের সামর্থ্যের ঘাটতি ছিল, এর বেশি কিছু নয়।’ প্রথমার্ধে কাইশু সানো গোল করে জাপানকে এগিয়ে দেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কাসেমিরো সমতা ফেরান। এরপর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করে ব্রাজিল। ম্যাচের ৬৫তম মিনিটে (দ্বিতীয়ার্ধের ২০তম মিনিটে) ১-১ সমতায় থাকা অবস্থায় বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন দোয়ান। এরপরও তিনি ব্রাজিলের বিপক্ষে জাপানের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, এই ৯০ মিনিটে আমরা প্রমাণ করেছি যে জাপানের ফুটবল ব্রাজিল কিংবা বিশ্বের যেকোনো জাতীয় দলের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করতে পারে। সব খেলোয়াড় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছিল এবং এখানে পৌঁছাতে নিজেদের সবকিছু উজাড় করে দিয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা আবারও বুঝতে পারলাম, বিশ্ব ফুটবলের মান কতটা উঁচু।’

‘ব্রাজিলকে হারানোর সামর্থ্য আমাদের ছিল না’ মেনে নিলেন জাপানিজ ফুটবলার

২০২৬ বিশ্বকাপের রাউন্ড অব ৩২-এ ব্রাজিলের কাছে ২-১ গোলে হেরে বিদায় নেওয়ার পর হতাশা প্রকাশ করেছেন জাপানের ১০ নম্বর তারকা রিৎসু দোয়ান। ম্যাচে শুরুতে এগিয়ে গেলেও শেষ মুহূর্তে গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির গোলে হারতে হয় জাপানকে।

হিউস্টনের স্টেডিয়ামের মিক্সড জোনে সংবাদমাধ্যমকে দোয়ান বলেন, ‘এটা আমাদের সামর্থ্যের ঘাটতি ছিল, এর বেশি কিছু নয়।’

প্রথমার্ধে কাইশু সানো গোল করে জাপানকে এগিয়ে দেন। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কাসেমিরো সমতা ফেরান। এরপর শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যোগ করা সময়ে জয়সূচক গোল করে ব্রাজিল।

ম্যাচের ৬৫তম মিনিটে (দ্বিতীয়ার্ধের ২০তম মিনিটে) ১-১ সমতায় থাকা অবস্থায় বদলি হয়ে মাঠ ছাড়েন দোয়ান। এরপরও তিনি ব্রাজিলের বিপক্ষে জাপানের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন।

তিনি বলেন, ‘আমার বিশ্বাস, এই ৯০ মিনিটে আমরা প্রমাণ করেছি যে জাপানের ফুটবল ব্রাজিল কিংবা বিশ্বের যেকোনো জাতীয় দলের সঙ্গে সমানতালে লড়াই করতে পারে। সব খেলোয়াড় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছিল এবং এখানে পৌঁছাতে নিজেদের সবকিছু উজাড় করে দিয়েছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত আমরা আবারও বুঝতে পারলাম, বিশ্ব ফুটবলের মান কতটা উঁচু।’

সুইডেনের বিপক্ষে ম্যাচে চোট পাওয়ায় ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলতে পারেননি ডিফেন্ডার কো ইতাকুরা। বিশ্বকাপ থেকে এত দ্রুত বিদায় নেওয়ায় তিনিও গভীর হতাশা প্রকাশ করেন, ‘এত তাড়াতাড়ি বিদায় নেওয়ার মতো দল আমরা ছিলাম না—এই মুহূর্তে আমার এমনটাই মনে হচ্ছে। আমি খুবই হতাশ। আমরা প্রত্যেকে কঠোর লড়াই করেছি, দলের পরিবেশও ছিল অসাধারণ। তাই আমি আবারও বলছি, এত দ্রুত বিদায় নেওয়ার মতো দল আমরা ছিলাম না।’

তবে ইতাকুরা মনে করেন, দ্বিতীয় রাউন্ড থেকে বিদায়ও জাপানের ফুটবলের উন্নয়নের একটি ধাপ, ‘আমরা হেরে গেছি, সব শেষ। এখন আমাদের দেশে ফিরতে হবে। কিন্তু এটাও আমাদের ইতিহাসের অংশ হয়ে থাকবে এবং দেখাবে আমরা কতটা এগিয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, এখান থেকে জাপান জাতীয় দল আরও শক্তিশালী হবে। আমরা ভবিষ্যতে আরও এগিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করছি।’

এটি ছিল জাপানের অষ্টম বিশ্বকাপ অংশগ্রহণ। এর মধ্যে পাঁচবার তারা গ্রুপ পর্ব পেরিয়েছে, কিন্তু এখনও পর্যন্ত বিশ্বকাপের কোনো নকআউট ম্যাচ জিততে পারেনি।

আরআর/এমএমআর

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow