ব্রাজিলের খেলা দেখলে বমি আসে: ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার

সময়টা একদমই ভালো যাচ্ছে না ব্রাজিল ফুটবল দলের। ২০০২ সালের পর কোনো বিশ্বকাপ ট্রফি জেতা হয়নি তাদের। তার ওপর এবার শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে আনচেলত্তির দলকে। ব্রাজিলের খেলায় নেই আগের সেই ধার, দেখা যায় না সাম্বার সেই চিরাচরিত খেলার ধরণ। ১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ইউরি জোরকায়েফ বর্তমান ব্রাজিল জাতীয় দলের খেলা নিয়ে তীব্র সমালোচনা দাবি করেছেন, ব্রাজিলের খেলা দেখলে তার ‘বমি আসে’। আরএমসি স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ব্রাজিলের কথা বলতে গেলে, ব্রাজিল বনাম নরওয়ে ম্যাচ দেখেছেন? ব্রাজিলের খেলা দেখলে বমি আসে। তার মতে, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী কারিগরি মান অনেকটাই হারিয়ে গেছে। বর্তমান দলে পর্যাপ্ত টেকনিক্যালি দক্ষ খেলোয়াড় নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি। জোরকায়েফ বলেন, আছে শুধু ৩৫ বছর বয়সী নেইমার, যিনি অনেকদিন খেলেননি, তবুও মাঠে নেমে কিছু একটা তৈরি করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বাকিরা কোথায়? সেই টেকনিক্যালি দক্ষ ব্রাজিলিয়ান ফুটবলাররা কোথায়? তিনি পাকেতার মতো খেলোয়াড়দেরও সমালোচনা করেন এবং আধুনিক স্ট্রাইকারদের উদাহরণ টেনে হালান্ড ও এনদ্রিকের তুলনা করেন। জোরকায়ে

ব্রাজিলের খেলা দেখলে বমি আসে: ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী ফুটবলার

সময়টা একদমই ভালো যাচ্ছে না ব্রাজিল ফুটবল দলের। ২০০২ সালের পর কোনো বিশ্বকাপ ট্রফি জেতা হয়নি তাদের। তার ওপর এবার শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিতে হয়েছে আনচেলত্তির দলকে। ব্রাজিলের খেলায় নেই আগের সেই ধার, দেখা যায় না সাম্বার সেই চিরাচরিত খেলার ধরণ।

১৯৯৮ সালে ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ইউরি জোরকায়েফ বর্তমান ব্রাজিল জাতীয় দলের খেলা নিয়ে তীব্র সমালোচনা দাবি করেছেন, ব্রাজিলের খেলা দেখলে তার ‘বমি আসে’।

আরএমসি স্পোর্টসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ব্রাজিলের কথা বলতে গেলে, ব্রাজিল বনাম নরওয়ে ম্যাচ দেখেছেন? ব্রাজিলের খেলা দেখলে বমি আসে।

তার মতে, ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের ঐতিহ্যবাহী কারিগরি মান অনেকটাই হারিয়ে গেছে। বর্তমান দলে পর্যাপ্ত টেকনিক্যালি দক্ষ খেলোয়াড় নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জোরকায়েফ বলেন, আছে শুধু ৩৫ বছর বয়সী নেইমার, যিনি অনেকদিন খেলেননি, তবুও মাঠে নেমে কিছু একটা তৈরি করার চেষ্টা করেন। কিন্তু বাকিরা কোথায়? সেই টেকনিক্যালি দক্ষ ব্রাজিলিয়ান ফুটবলাররা কোথায়?

তিনি পাকেতার মতো খেলোয়াড়দেরও সমালোচনা করেন এবং আধুনিক স্ট্রাইকারদের উদাহরণ টেনে হালান্ড ও এনদ্রিকের তুলনা করেন।

জোরকায়েফের ভাষায়, মান বলতে আমি প্রথম টাচ ও বল নিয়ন্ত্রণ বুঝি। নরওয়ের দ্বিতীয় গোলে হালান্ড যেভাবে বল নিয়ন্ত্রণ করলো, সঠিক সময় নিলো, জায়গা তৈরি করলো, তারপর সহজভাবে শট নিলো- এটাই মান।

তিনি আরও বলেন, এনদ্রিক গোলরক্ষকের সামনে পুরোপুরি ফাঁকা ছিল। যদি বলটা রোনালদো কাছে থাকতো, তিনি গোলরক্ষককে কাটিয়ে সহজেই বল জালে পাঠাতেন।

জোরকায়েফ ১৯৯৩ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে খেলেছেন। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি তিনি ২০০০ সালের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপও জিতেছিলেন।

আরআর/আইএইচএস/এএমএ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow