ব্রাসেলসে বাংলাদেশ দূতাবাসে শহীদ দিবস পালন

বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা এবং উৎসাহ উদ্দীপনায় ‘মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬’ পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাস প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শুরুতেই জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণের মধ্য দিয়ে দিবসের কার্যক্রমের সূচনা করেন রাষ্ট্রদূত খন্দকার মাসুদুল আলম। পরে ভাষা শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দূতাবাসের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। দ্বিতীয় পর্বে দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত বিদেশের মাটিতে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা ভাষার ইতিহাস ও সংস্কৃতি তুলে ধরার আহ্বান জানান। এছাড়াও রাষ্ট্রদূত, দলমত নির্বিশেষে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিরলস কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান। এরপর দূতাবাসের উদ্যোগে চিত্রাঙ্কন এবং রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন বয়সভিত্তিক গ্রুপে বিজয়ীদের মধ্যে সনদপত্র এবং পুরস্কা

ব্রাসেলসে বাংলাদেশ দূতাবাসে শহীদ দিবস পালন

বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদা এবং উৎসাহ উদ্দীপনায় ‘মহান শহীদ ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬’ পালন করা হয়েছে।

দিবসটি উপলক্ষে দূতাবাস প্রাঙ্গণে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শুরুতেই জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শহীদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন ও জাতীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণের মধ্য দিয়ে দিবসের কার্যক্রমের সূচনা করেন রাষ্ট্রদূত খন্দকার মাসুদুল আলম।

jagonews24

পরে ভাষা শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে দূতাবাসের শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। দ্বিতীয় পর্বে দিবসটি উপলক্ষে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণীসমূহ পাঠ করা হয়।

jagonews24

এ সময় রাষ্ট্রদূত বিদেশের মাটিতে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের মাঝে বাংলা ভাষার ইতিহাস ও সংস্কৃতি তুলে ধরার আহ্বান জানান। এছাড়াও রাষ্ট্রদূত, দলমত নির্বিশেষে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিরলস কাজ করে যাওয়ার আহ্বান জানান।

jagonews24

এরপর দূতাবাসের উদ্যোগে চিত্রাঙ্কন এবং রচনা প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন বয়সভিত্তিক গ্রুপে বিজয়ীদের মধ্যে সনদপত্র এবং পুরস্কার দেওয়া হয়। শেষে, ভাষা শহীদ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে আত্মদানকারী সবার বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং দেশ ও জাতির অব্যাহত উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবারের মাধ্যমে ইফতার এবং সান্ধ্যভোজের আপ্যায়ন করা হয়।

এমআরএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow