ব্রাহ্মণপাড়ায় কাঁচামরিচ ৪০০ টাকা, সবজির বাজারে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার কাঁচাবাজারে কাঁচামরিচের দাম যেন এক অনিয়ন্ত্রিত খেলায় মেতেছে। কখনো কেজিপ্রতি ৩২০ টাকা, তো পরদিনই লাফিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে ৪০০ টাকায়! শুধু কাঁচামরিচই নয়, অস্থিরতা বিরাজ করছে পুরো সবজির বাজারেও। নিত্যপণ্যের এমন অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। রোববার (২ আগস্ট) উপজেলা সদরের কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়। এর দুদিন আগে তা ৩২০ টাকায় বিক্রি হলেও তারও কিছুদিন পূর্বে দাম ছিল ৪০০ টাকা। এছাড়াও, প্রতি কেজি করলা ১৪০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা, উচ্ছে ১২০, বেগুন ১০০ থেকে ১১০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, কচুর ছড়া ৬০ থেকে ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, পটোল ৬০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৮০ থেকে ৯০ টাকা, চালকুমড়া প্রতি পিস ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। বাজারে আসা অনেক ক্রেতাকেই প্রয়োজনের তুলনায় অল্প পরিমাণে সবজি কিনে ফিরতে দেখা গেছে। বাজারে কাঁচাবাজার কিনতে আসা ক্রেতা সোহাগ মিয়া বলেন, এখন বাজারে এসে কী কিনব, আর কী বাদ দ
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার কাঁচাবাজারে কাঁচামরিচের দাম যেন এক অনিয়ন্ত্রিত খেলায় মেতেছে। কখনো কেজিপ্রতি ৩২০ টাকা, তো পরদিনই লাফিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে ৪০০ টাকায়! শুধু কাঁচামরিচই নয়, অস্থিরতা বিরাজ করছে পুরো সবজির বাজারেও। নিত্যপণ্যের এমন অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে চরম বিপাকে পড়েছেন স্থানীয় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ।
রোববার (২ আগস্ট) উপজেলা সদরের কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, খুচরা পর্যায়ে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়। এর দুদিন আগে তা ৩২০ টাকায় বিক্রি হলেও তারও কিছুদিন পূর্বে দাম ছিল ৪০০ টাকা।
এছাড়াও, প্রতি কেজি করলা ১৪০ টাকা, বরবটি ১২০ টাকা, উচ্ছে ১২০, বেগুন ১০০ থেকে ১১০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, কচুর ছড়া ৬০ থেকে ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, পটোল ৬০ টাকা, শসা ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৮০ থেকে ৯০ টাকা, চালকুমড়া প্রতি পিস ৭০ থেকে ৯০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। বাজারে আসা অনেক ক্রেতাকেই প্রয়োজনের তুলনায় অল্প পরিমাণে সবজি কিনে ফিরতে দেখা গেছে।
বাজারে কাঁচাবাজার কিনতে আসা ক্রেতা সোহাগ মিয়া বলেন, এখন বাজারে এসে কী কিনব, আর কী বাদ দেব বুঝতে পারি না। কাঁচামরিচের মতো নিত্যপ্রয়োজনীয় একটি পণ্য ৪০০ টাকা কেজি। প্রয়োজনের তুলনায় বাড়তি মূল্যের কারণে কম কিনতে হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য সবজির দামও বৃদ্ধি পেয়েছে।
একই বাজারে বাজার করতে এসেছেন গৃহিণী আসমা আক্তার। তিনি বলেন, সবজির দাম এত বেশি যে সংসারের বাজেটই ভেঙে গেছে। মাছ-মাংসের পর এখন সবজিও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। কাঁচামরিচের মতো একটি পণ্য ৪০০ টাকা কেজি। আমাদের মতো সাধারণ মানুষদের বিপাকে পড়তে হচ্ছে।
সবজি বিক্রেতা আবু হানিফ বলেন, বিগত কিছুদিনের টানা বৃষ্টিতে সবজির ক্ষতি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে সবজির সরবরাহও তুলনামূলক কমে গেছে। পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে আমাদেরকে কিনে আনতে হচ্ছে। এজন্য খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পড়েছে। যখন যে দামে পাইকারি বাজার থেকে কিনে আনি সে অনুযায়ী খুচরা বাজারে বিক্রি করি।
একই বাজারের আরেক সবজি বিক্রেতা দেলোয়ার হোসেন বলেন, সবজির সরবরাহ কমে গেছে। পাইকারদের সঙ্গে আমরা দুটো কথা বলারও সুযোগ পাই না। পাইকারি বাজারে সবজির দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদেরকেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে ক্রেতারাও অসন্তুষ্ট, আবার আমাদেরও আগের মতো বিক্রি নেই।
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তারেক রহমান কালবেলাকে বলেন, প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। কোনো ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পণ্যের দাম বাড়িয়ে বিক্রি করছে কি না তা নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে।
What's Your Reaction?