ব্রাহ্মণপাড়ায় ৬১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই, ব্যাহত শিক্ষা কার্যক্রম
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অর্ধেকেরও বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরদিকে ৪১টি সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য রয়েছে। ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আটটি ইউনিয়নে মোট ১১৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৬১টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। পাশাপাশি ৪১টি সহকারী শিক্ষকের পদও দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে এসব বিদ্যালয়ের পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বাভাবিকের তুলনায় ব্যাহত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা জানান, প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ভারপ্রাপ্তদের প্রশাসনিক নানা কাজ সামলাতে হয়। এতে শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হয়। অন্যদিকে একই পদমর্যাদার সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে থেকে একজনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হলেও অন্যদের ওপর প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সহকারী শিক্ষক বলেন, একই পদমর্যাদার সহকর্মীদের মধ্যে একজনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধ
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার অর্ধেকেরও বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। সহকারী শিক্ষকরা ভারপ্রাপ্ত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অপরদিকে ৪১টি সহকারী শিক্ষকের পদও শূন্য রয়েছে। ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আটটি ইউনিয়নে মোট ১১৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৬১টি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নেই। পাশাপাশি ৪১টি সহকারী শিক্ষকের পদও দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। ফলে এসব বিদ্যালয়ের পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম স্বাভাবিকের তুলনায় ব্যাহত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা জানান, প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ভারপ্রাপ্তদের প্রশাসনিক নানা কাজ সামলাতে হয়। এতে শ্রেণিকক্ষে নিয়মিত পাঠদান ব্যাহত হয়। অন্যদিকে একই পদমর্যাদার সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে থেকে একজনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হলেও অন্যদের ওপর প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সহকারী শিক্ষক বলেন, একই পদমর্যাদার সহকর্মীদের মধ্যে একজনকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হলে অনেক সময় তা মেনে নিতে অনীহা দেখা যায় অন্য সহকর্মীদের মধ্যে। আবার প্রশাসনিক কাজের চাপ সামলে নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে পাঠদানও কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে দায়িত্বে থাকা সহকারী শিক্ষকদের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের ওপর পড়ে।
শিক্ষক সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন অভিভাবকরাও। তাদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকা প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকের পদগুলো দ্রুত পূরণ করা না হলে প্রাথমিক শিক্ষার ভিত্তি আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
মতিউল ইসলাম নামে এক অভিভাবক বলেন, শিক্ষক সংকটের কারণে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। বিদ্যালয়ের প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিক্ষক থাকলে শিশুদের আরও ভালোভাবে পাঠদান সম্ভব হতো।
আরিফুল আলম নামে আরেক অভিভাবক বলেন, শিক্ষক স্বল্পতার কারণে শিক্ষকরা প্রতিটি শিক্ষার্থীর প্রতি প্রয়োজনীয় মনোযোগ দিতে পারছেন না। এতে শিশুদের শেখার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। শিক্ষক স্বল্পতা দূরীকরণ জরুরি।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সৈয়দা হালিমা পারভীন কালবেলাকে বলেন, উপজেলার অর্ধেকের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এসব বিদ্যালয়ে বর্তমানে সহকারী শিক্ষকরা চলতি দায়িত্ব পালন করছেন। এতে শিক্ষার মানোন্নয়নে কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তারপরও বিভিন্ন ক্লাস্টার কার্যক্রম এবং সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের তদারকির মাধ্যমে শিক্ষার মান অক্ষুণ্ন রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।