ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাংক কর্মকর্তাকে হত্যা, প্রধান আসামি ঢাকায় গ্রেপ্তার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় উত্তরা ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আরিফুল ইসলাম (৪৫) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোহাম্মদ আলী ওরফে আলী মিয়াকে (৪৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাতে রাজধানী ঢাকায় অভিযান চালিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করে কসবা থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে আসামি আলী মিয়াকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হারুনুর রশীদ জানান, হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন ও বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে আসামির রিমান্ড আবেদন করা হবে।
উল্লেখ্য, অর্থ লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধের জেরে চলতি মাসের ৬ জুলাই সন্ধ্যায় কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর বাজারের গ্রিন হেলথ হাসপাতালের সামনে অভিযুক্ত আলী মিয়ার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হন কসবার গোপীনাথপুর শাখা উত্তরা ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার আরিফুল ইসলাম।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন ও তার সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় উত্তরা ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার মো. আরিফুল ইসলাম (৪৫) হত্যা মামলার প্রধান আসামি মোহাম্মদ আলী ওরফে আলী মিয়াকে (৪৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২২ জুলাই) দিবাগত রাতে রাজধানী ঢাকায় অভিযান চালিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করে কসবা থানা পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে আসামি আলী মিয়াকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হারুনুর রশীদ জানান, হত্যার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন ও বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতের কাছে আসামির রিমান্ড আবেদন করা হবে।
উল্লেখ্য, অর্থ লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধের জেরে চলতি মাসের ৬ জুলাই সন্ধ্যায় কসবা উপজেলার গোপীনাথপুর বাজারের গ্রিন হেলথ হাসপাতালের সামনে অভিযুক্ত আলী মিয়ার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম হন কসবার গোপীনাথপুর শাখা উত্তরা ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অফিসার আরিফুল ইসলাম।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয় লোকজন ও তার সহকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন ৭ জুলাই বিকেলে মারা যান তিনি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি কার্যক্রম ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।