ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভাবির দায়ের কোপে দেবর নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাবির দায়ের কোপে দেবর নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত মোহাম্মদ সুমন মিয়া (৩০) ওই গ্রামের গোলাপ মিয়ার ছেলে। তিনি একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা গ্যারেজের মালিক ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের দিকে সুমনের তিন বন্ধু মোটরসাইকেল নিয়ে তাদের বাড়িতে আসেন। তারা বাড়ির নিজস্ব রাস্তায় মোটরসাইকেল রাখলে এ নিয়ে সুমনের চাচাতো ভাই সাত্তার মিয়ার স্ত্রী রুমানা বেগম আপত্তি জানান। এ সময় সুমনের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। পরে সুমনের বন্ধুরা মোটরসাইকেল সরিয়ে নিয়ে চলে যান। এরপর বিষয়টি নিয়ে সুমনের মা রুমানা বেগমকে জিজ্ঞাসা করলে তাদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে সুমন ঘটনাস্থলে এসে মায়ের সঙ্গে খারাপ আচরণের কারণ জানতে চাইলে, রুমানা বেগম ক্ষিপ্ত হয়ে ঘর থেকে দা এনে তার ওপর হামলা চালান। এতে সুমনের বুকে, হাতে ও কপালে কোপ লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ব্যাপারে সরাইল থানার ওসি মো. মনজুর কাদের ভুঁইয়া বলেন, দায়ের কোপে স

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভাবির দায়ের কোপে দেবর নিহত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলায় পারিবারিক বিরোধের জেরে ভাবির দায়ের কোপে দেবর নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে উপজেলার কালিকচ্ছ ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মোহাম্মদ সুমন মিয়া (৩০) ওই গ্রামের গোলাপ মিয়ার ছেলে। তিনি একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা গ্যারেজের মালিক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের দিকে সুমনের তিন বন্ধু মোটরসাইকেল নিয়ে তাদের বাড়িতে আসেন। তারা বাড়ির নিজস্ব রাস্তায় মোটরসাইকেল রাখলে এ নিয়ে সুমনের চাচাতো ভাই সাত্তার মিয়ার স্ত্রী রুমানা বেগম আপত্তি জানান। এ সময় সুমনের সঙ্গে তার কথা কাটাকাটি হয়। পরে সুমনের বন্ধুরা মোটরসাইকেল সরিয়ে নিয়ে চলে যান।

এরপর বিষয়টি নিয়ে সুমনের মা রুমানা বেগমকে জিজ্ঞাসা করলে তাদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে সুমন ঘটনাস্থলে এসে মায়ের সঙ্গে খারাপ আচরণের কারণ জানতে চাইলে, রুমানা বেগম ক্ষিপ্ত হয়ে ঘর থেকে দা এনে তার ওপর হামলা চালান। এতে সুমনের বুকে, হাতে ও কপালে কোপ লাগে। গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান।

এ ব্যাপারে সরাইল থানার ওসি মো. মনজুর কাদের ভুঁইয়া বলেন, দায়ের কোপে সুমনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মরদেহ সন্ধ্যায় ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত রুমানা বেগমকে গ্রেপ্তারে পুলিশের দুটি দল কাজ করছে এবং এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow