ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার টিয়ারা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, টিয়ারা গ্রামের হোসেন চেয়ারম্যান ও আতিকুর রহমান শিশু পক্ষের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে শনিবার সকালে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, একপর্যায়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করা হয়। এরপর দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পরস্পরের ওপর হামলা চালায়। দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোর্শেদুল আলম চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, সকাল থেকে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। খবর পেয়ে পুলিশ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে মাইকে ঘোষণা দিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে উপজেলার টিয়ারা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, টিয়ারা গ্রামের হোসেন চেয়ারম্যান ও আতিকুর রহমান শিশু পক্ষের লোকজনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে শনিবার সকালে দুই পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। পরে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য, একপর্যায়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে লোকজন জড়ো করা হয়। এরপর দুই পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পরস্পরের ওপর হামলা চালায়। দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। গুরুতর আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
খবর পেয়ে নবীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোর্শেদুল আলম চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, সকাল থেকে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। সংঘর্ষে দুই পক্ষের ১০ জন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সেখানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।