ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাস্তার পাশে গুলিবিদ্ধ যুবকের লাশ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে রাস্তার পাশ থেকে অজ্ঞাত যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১১ মে) বিকেলে মরিচাকান্দি-উলুকান্দি এলাকার কলেজ রোডের পাশ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। নিহতের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে পথচারীরা রাস্তার ধারে একটি রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।
অনেকেই ধারণা করছেন, দুপুরে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা গুলি করে যুবকটিকে হত্যা করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তবে ঠিক কখন এবং কীভাবে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে ব্যক্তিগত বিরোধ, পূর্বশত্রুতা, নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা উদঘাটনে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াছিন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হলেও তদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা ও কারণ সম্প
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে রাস্তার পাশ থেকে অজ্ঞাত যুবকের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১১ মে) বিকেলে মরিচাকান্দি-উলুকান্দি এলাকার কলেজ রোডের পাশ থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। নিহতের পরিচয় এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকেলে পথচারীরা রাস্তার ধারে একটি রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে।
অনেকেই ধারণা করছেন, দুপুরে কোনো এক সময় দুর্বৃত্তরা গুলি করে যুবকটিকে হত্যা করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তবে ঠিক কখন এবং কীভাবে হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়েছে সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে ব্যক্তিগত বিরোধ, পূর্বশত্রুতা, নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে, তা উদঘাটনে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ইয়াছিন বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। নিহতের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। প্রাথমিকভাবে বিষয়টি হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হলেও তদন্তের পরই প্রকৃত ঘটনা ও কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।