ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ফজলে হাসান আবেদের ৯০তম জন্মদিন উদযাপন
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্যার ফজলে হাসান আবেদের ৯০তম জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) এ উপলক্ষে রাজধানীর মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী নানান আয়োজন করা হয়। এসব আয়োজনে স্যার ফজলের জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়। ‘সেলিব্রেশন অব আবেদ ভাইস লাইফ অ্যান্ড লেগেসি’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ বছরপূর্তির লোগো উন্মোচন করেন উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার। বছরজুড়ে নানা আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ বছরপূর্তি উদযাপন করা হবে। এসব আয়োজনে শিক্ষা ও সামাজিক ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য ও অঙ্গীকার তুলে ধরা হবে। ২০০১ সালের ১৬ জুন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি যাত্রা শুরু করে। এদিকে, সকালে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনের মাধ্যমে দিনব্যাপী এ আয়োজনের শুরু হয়। এ প্রদর্শনীতে স্যার ফজলে হাসান আবেদের কাজ ও মূল্যবোধ শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা হয়। এসব ছবি দর্শনার্থীদের একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়তে অনুপ্রাণিত করেছে। এছাড়া সকালে শুরু হয় দিনব্যাপী ‘স্যার ফজলে হাসান আবেদ ওপেন রেটেড দাবা টুর্নামেন্ট ২০২৬’। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তিনশ’রও বেশি দাবাড়ু অংশ নেন। মান
ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে স্যার ফজলে হাসান আবেদের ৯০তম জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে। সোমবার (২৭ এপ্রিল) এ উপলক্ষে রাজধানীর মেরুল বাড্ডা ক্যাম্পাসে দিনব্যাপী নানান আয়োজন করা হয়। এসব আয়োজনে স্যার ফজলের জীবন ও কর্মের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
‘সেলিব্রেশন অব আবেদ ভাইস লাইফ অ্যান্ড লেগেসি’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ বছরপূর্তির লোগো উন্মোচন করেন উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার। বছরজুড়ে নানা আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৫ বছরপূর্তি উদযাপন করা হবে। এসব আয়োজনে শিক্ষা ও সামাজিক ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্য ও অঙ্গীকার তুলে ধরা হবে। ২০০১ সালের ১৬ জুন ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি যাত্রা শুরু করে।
এদিকে, সকালে আলোকচিত্র প্রদর্শনীর উদ্বোধনের মাধ্যমে দিনব্যাপী এ আয়োজনের শুরু হয়। এ প্রদর্শনীতে স্যার ফজলে হাসান আবেদের কাজ ও মূল্যবোধ শিক্ষার্থী ও দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরা হয়। এসব ছবি দর্শনার্থীদের একটি ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়তে অনুপ্রাণিত করেছে।
এছাড়া সকালে শুরু হয় দিনব্যাপী ‘স্যার ফজলে হাসান আবেদ ওপেন রেটেড দাবা টুর্নামেন্ট ২০২৬’। এতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তিনশ’রও বেশি দাবাড়ু অংশ নেন। মানুষের সম্ভাবনা বিকাশে স্যার ফজলের অবদানের প্রতি সম্মান জানাতে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘জীবনের জয়গান’ শীর্ষক একটি ফুটবল ম্যাচ আয়োজন করা হয়। এতে অংশ নেন ফরিদপুরের ব্র্যাক সেকেন্ডারি স্কুল অব পূর্ব-গঙ্গাবর্দী এবং ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির ফুটবলাররা। এ ম্যাচের মাধ্যমে স্যার ফজলে হাসান আবেদের একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ নির্মাণ ও তরুণদের এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে তার ভাবনা তুলে ধরা হয়।
এদিন বিকেলে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। আয়োজনে ছিল গান, নৃত্য ও কবিতা আবৃত্তিসহ সৃজনশীল বিভিন্ন পরিবেশনা। এসব আয়োজনে স্যার ফজলের আদর্শের প্রতিফলন দেখা যায়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অফিস অব কমিউনিকেশন্সের পরিচালক খায়রুল বাশার।
অনুষ্ঠানের শেষে ফুটবল ম্যাচের বিজয়ীদের পুরস্কার দেওয়া হয়। পুরস্কার তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারপারসন তামারা হাসান আবেদ, সদস্য সালাদীন ইরশাদ ইমাম, উপাচার্য অধ্যাপক সৈয়দ ফারহাত আনোয়ার, ট্রেজারার আরিফুল ইসলাম এবং রেজিস্ট্রার ডেভ ডাউল্যান্ড।
তামারা হাসান আবেদ বলেন, আমরা বছরজুড়ে অনেক আয়োজন করবো। এরমধ্যে রয়েছে নিজেদের সাফল্য উদযাপন, অনেকগুলো পুরস্কার ও স্বীকৃতি দেওয়া এবং একসঙ্গে কাজ করাসহ আরও অনেক কিছু। আমরা নিজেদের মধ্যে; আমাদের পুরো ব্র্যাক পরিবারের মধ্যে এবং বিদেশের পার্টনারদের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্ত করতে চাই। সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে পথ চলতে চাই।
অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন ব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব ল্যাঙ্গুয়েজেসের উপদেষ্টা লেডি সৈয়দা সারওয়াত আবেদ ও স্টুডেন্ট লাইফের জয়েন্ট ডিরেক্টর তাহসিনা রহমান প্রমুখ।
এএএইচ/এমএএইচ/
What's Your Reaction?