বড় ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের
গাইবান্ধায় জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে রুমন নামের এক যুবক নিহত হয়েছেনি। তার সঙ্গে থাকা আহত বড় ভাই রুহিতের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। রোববার (৭ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদরের পূর্ব পিয়ারাপুরে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তকারী পালিয়ে গেলেও অভিযুক্তের মা ও স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব পিয়ারাপুর গ্রামের রাকিবের সঙ্গে মৃত ফারুকের ছেলে রুহিতের দীর্ঘদিন ধরে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এক পর্যায়ে রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উভয়ের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হলে রাকিব ছুরি দিয়ে রুহিতকে আঘাত করেন। এ সময় রুহিতের ছোট ভাই রুমন বড় ভাইকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করেন রাকিব। পরে স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় সহোদর রুহিত ও রুমনকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক রুমনকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে গুরুতর আহত রুহিত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুল বলেন, কথা বলতে বলতে হঠাৎ করে রাকিব ছুরি বের করে রুহিতকে এলোপাথাড়ি আঘাত শুরু করে। ছোট ভাই রুমন তার ভাইকে বাঁচাতে গেলে রাকিব রুমনকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। ঘটনাটি দুঃখজনক। স
গাইবান্ধায় জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে রুমন নামের এক যুবক নিহত হয়েছেনি। তার সঙ্গে থাকা আহত বড় ভাই রুহিতের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।
রোববার (৭ জুন) রাত সাড়ে ৯টার দিকে সদরের পূর্ব পিয়ারাপুরে এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্তকারী পালিয়ে গেলেও অভিযুক্তের মা ও স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব পিয়ারাপুর গ্রামের রাকিবের সঙ্গে মৃত ফারুকের ছেলে রুহিতের দীর্ঘদিন ধরে জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এক পর্যায়ে রোববার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উভয়ের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হলে রাকিব ছুরি দিয়ে রুহিতকে আঘাত করেন।
এ সময় রুহিতের ছোট ভাই রুমন বড় ভাইকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাকেও ছুরিকাঘাত করেন রাকিব। পরে স্থানীয়রা আশঙ্কাজনক অবস্থায় সহোদর রুহিত ও রুমনকে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক রুমনকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে গুরুতর আহত রুহিত হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
স্থানীয় বাসিন্দা আমিনুল বলেন, কথা বলতে বলতে হঠাৎ করে রাকিব ছুরি বের করে রুহিতকে এলোপাথাড়ি আঘাত শুরু করে। ছোট ভাই রুমন তার ভাইকে বাঁচাতে গেলে রাকিব রুমনকে ছুরি দিয়ে আঘাত করে। ঘটনাটি দুঃখজনক। সেই সঙ্গে রাকিবের শাস্তি চাই আমরা।
সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, এ ঘটনায় খুনিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রাকিবের মা বেবি বেগম ও তার স্ত্রী ইতি বেগমকে আটক করা হয়েছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
What's Your Reaction?