বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ম ইউনিটের উৎপাদন বন্ধ
পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। তবে প্রয়োজনীয় মেরামত শেষে রাতের মধ্যেই ইউনিটটি পুনরায় চালুর আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (০১ আগস্ট) ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে ইউনিটটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক।
প্রধান প্রকৌশলী জানান, ক্রুটি শনাক্তের পর প্রয়োজনীয় মেরামতের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে রাতের মধ্যেই ১ নম্বর ইউনিট থেকে পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে এবং তা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।
বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, ইউনিটটি বন্ধ হওয়ার আগে সেখান থেকে ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল।
বর্তমানে কেন্দ্রের ৩ নম্বর ইউনিট সচল রয়েছে। ২৭৫ মেগাওয়াটের মধ্যে এই ইউনিট থেকে ১৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, কেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিটটি ২০২০ সাল থেকে বন্ধ রয়েছে।
পার্বতীপুরের বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। তবে প্রয়োজনীয় মেরামত শেষে রাতের মধ্যেই ইউনিটটি পুনরায় চালুর আশা করছে কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (০১ আগস্ট) ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে ইউনিটটিতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বড়পুকুরিয়া তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক।
প্রধান প্রকৌশলী জানান, ক্রুটি শনাক্তের পর প্রয়োজনীয় মেরামতের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সবকিছু ঠিক থাকলে রাতের মধ্যেই ১ নম্বর ইউনিট থেকে পুনরায় বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে এবং তা জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।
বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, ইউনিটটি বন্ধ হওয়ার আগে সেখান থেকে ৫০ থেকে ৫৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছিল।
বর্তমানে কেন্দ্রের ৩ নম্বর ইউনিট সচল রয়েছে। ২৭৫ মেগাওয়াটের মধ্যে এই ইউনিট থেকে ১৭৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। অন্যদিকে, কেন্দ্রের ২ নম্বর ইউনিটটি ২০২০ সাল থেকে বন্ধ রয়েছে।