ভবন নির্মাণ থেকে বছরে মাথাপিছু ১-৩ টন কার্বন নির্গত হচ্ছে

বিশ্বজুড়ে শহরগুলোর নির্মাণকাজ দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে বিপুল পরিমাণ কার্বন নির্গমন হচ্ছে। সম্প্রতি নতুন এক গবেষণা থেকে এ তথ্য জানা গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য অর্জন করা কঠিন হয়ে পড়বে। গবেষণাটি সম্প্রতি ন্যাচার সিটিস জার্নালে প্রকাশ হয়েছে। এতে বিশ্বের এক হাজারের বেশি শহরের নির্মাণ খাত বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ফলাফলে দেখা যায়, শহরগুলোতে ভবন নির্মাণ থেকেই প্রতি বছর মাথাপিছু ১-৩ টন কার্বন নির্গত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্মাণ খাতের নির্গমন অনেক সময় চোখে পড়ে না। কারণ একটি ভবন তৈরির জন্য কাঁচামাল আসে বিভিন্ন দেশ থেকে। খনি, কারখানা ও পরিবহন-সব মিলিয়ে পুরো প্রক্রিয়াতেই প্রচুর কার্বন তৈরি হয়। গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০১০-২০ সালের মধ্যে শহরগুলোর নির্মাণজনিত নির্গমন প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। কিছু শহরে নির্মাণ খাত একাই এমন পরিমাণ কার্বন তৈরি করছে, যা একজন মানুষের মোট নির্গমনের সীমাকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। অথচ প্যারিস অ্যাগ্রিমেন্ট অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি মানুষের নির্গমন ২.৩ টনের মধ্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে। গবেষকেরা বলছেন, শুধু বড় শহর নয়, ছোট শহরগুলোর নির্মাণ

ভবন নির্মাণ থেকে বছরে মাথাপিছু ১-৩ টন কার্বন নির্গত হচ্ছে

বিশ্বজুড়ে শহরগুলোর নির্মাণকাজ দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে বিপুল পরিমাণ কার্বন নির্গমন হচ্ছে। সম্প্রতি নতুন এক গবেষণা থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এভাবে চলতে থাকলে বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্য অর্জন করা কঠিন হয়ে পড়বে।

গবেষণাটি সম্প্রতি ন্যাচার সিটিস জার্নালে প্রকাশ হয়েছে। এতে বিশ্বের এক হাজারের বেশি শহরের নির্মাণ খাত বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ফলাফলে দেখা যায়, শহরগুলোতে ভবন নির্মাণ থেকেই প্রতি বছর মাথাপিছু ১-৩ টন কার্বন নির্গত হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্মাণ খাতের নির্গমন অনেক সময় চোখে পড়ে না। কারণ একটি ভবন তৈরির জন্য কাঁচামাল আসে বিভিন্ন দেশ থেকে। খনি, কারখানা ও পরিবহন-সব মিলিয়ে পুরো প্রক্রিয়াতেই প্রচুর কার্বন তৈরি হয়।

গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০১০-২০ সালের মধ্যে শহরগুলোর নির্মাণজনিত নির্গমন প্রায় ২০ শতাংশ বেড়েছে। কিছু শহরে নির্মাণ খাত একাই এমন পরিমাণ কার্বন তৈরি করছে, যা একজন মানুষের মোট নির্গমনের সীমাকেও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। অথচ প্যারিস অ্যাগ্রিমেন্ট অনুযায়ী ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতি মানুষের নির্গমন ২.৩ টনের মধ্যে নামিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে।

গবেষকেরা বলছেন, শুধু বড় শহর নয়, ছোট শহরগুলোর নির্মাণ কাজও এই সমস্যার বড় অংশ। যত বেশি নির্মাণ বিনিয়োগ, তত বেশি কার্বন নির্গমন হচ্ছে।

তবে সমাধানের পথও আছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, অপ্রয়োজনীয় নির্মাণ কমাতে হবে, পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহার করতে হবে এবং শহরের পরিকল্পনা বদলাতে হবে। তারা আরও বলেন, বড় বড় একতলা বাড়ির বদলে ঘনবসতিপূর্ণ ভবন নির্মাণ করলে জমি কম লাগবে এবং কার্বন নির্গমনও কম হবে। তথ্যসূত্র : ফোর্বস
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow