ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের ঐতিহাসিক চুক্তি সই
দীর্ঘদিনের আলোচনা শেষে শুল্ক কমানোর বিষয়ে একটি বড় বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। মঙ্গলবার স্বাক্ষরিত এই চুক্তির লক্ষ্য দুই পক্ষের বাণিজ্য বাড়ানো এবং ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানো। খবর রয়টার্সের। ইইউ জানিয়েছে, চুক্তির আওতায় বাণিজ্য মূল্যের হিসাবে ৯৬ দশমিক ৬ শতাংশ পণ্যে শুল্ক কমানো বা তুলে নেওয়া হবে। এর ফলে ২০৩২ সালের মধ্যে ভারতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রপ্তানি প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর জন্য বছরে প্রায় ৪ বিলিয়ন ইউরো সমপরিমাণ শুল্ক সাশ্রয় হবে বলেও জানানো হয়েছে। ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাত বছরের মধ্যে ভারত থেকে আমদানি করা ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ পণ্যে শুল্ক কমাবে ইইউ। এর মধ্যে সামুদ্রিক পণ্য, চামড়া ও বস্ত্র, রাসায়নিক, রাবার, ভিত্তি ধাতু এবং রত্ন ও অলংকারে শুল্ক শূন্যে নামানো হবে। তবে কৃষিসংশ্লিষ্ট পণ্য এই চুক্তির বাইরে রাখা হয়েছে। সয়া, গরুর মাংস, চিনি, চাল এবং দুগ্ধজাত পণ্য এতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি বলে উভয় পক্ষ নিশ্চিত করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চুক্তিকে বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করে
দীর্ঘদিনের আলোচনা শেষে শুল্ক কমানোর বিষয়ে একটি বড় বাণিজ্য চুক্তিতে পৌঁছেছে ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন। মঙ্গলবার স্বাক্ষরিত এই চুক্তির লক্ষ্য দুই পক্ষের বাণিজ্য বাড়ানো এবং ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক বাণিজ্য উত্তেজনার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমানো। খবর রয়টার্সের।
ইইউ জানিয়েছে, চুক্তির আওতায় বাণিজ্য মূল্যের হিসাবে ৯৬ দশমিক ৬ শতাংশ পণ্যে শুল্ক কমানো বা তুলে নেওয়া হবে। এর ফলে ২০৩২ সালের মধ্যে ভারতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের রপ্তানি প্রায় দ্বিগুণ হতে পারে। ইউরোপীয় কোম্পানিগুলোর জন্য বছরে প্রায় ৪ বিলিয়ন ইউরো সমপরিমাণ শুল্ক সাশ্রয় হবে বলেও জানানো হয়েছে।
ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, সাত বছরের মধ্যে ভারত থেকে আমদানি করা ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ পণ্যে শুল্ক কমাবে ইইউ। এর মধ্যে সামুদ্রিক পণ্য, চামড়া ও বস্ত্র, রাসায়নিক, রাবার, ভিত্তি ধাতু এবং রত্ন ও অলংকারে শুল্ক শূন্যে নামানো হবে।
তবে কৃষিসংশ্লিষ্ট পণ্য এই চুক্তির বাইরে রাখা হয়েছে। সয়া, গরুর মাংস, চিনি, চাল এবং দুগ্ধজাত পণ্য এতে অন্তর্ভুক্ত হয়নি বলে উভয় পক্ষ নিশ্চিত করেছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি চুক্তিকে বড় অর্জন হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত এই চুক্তিকে অনেকেই ‘সব চুক্তির জননী’ বলছেন। এতে ভারতের ১৪০ কোটি মানুষ এবং ইউরোপের লাখো মানুষের জন্য বড় সুযোগ তৈরি হবে।
প্রায় দুই দশক ধরে চলা ভারত-ইইউ বাণিজ্য আলোচনা সম্প্রতি গতি পায়। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র কিছু ভারতীয় পণ্যে ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পর এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক হুমকির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর অবস্থান স্পষ্ট হওয়ার প্রেক্ষাপটে এই আলোচনা দ্রুত এগোয়।
What's Your Reaction?