ভারত সরকারের বৃত্তিতে উচ্চশিক্ষা অর্জনে যাচ্ছেন ৫৪১ বাংলাদেশি

ভারত সরকারের অর্থায়নে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর বৃত্তি-২০২৬) অর্জন করেছেন বাংলাদেশের ৫৪১ শিক্ষার্থী।  মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশন প্রাঙ্গণে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য বিদায় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।  অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সারা দেশ থেকে আসা ৭ হাজার ৭০০ আবেদনকারীর মধ্যে দক্ষতা পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে মাত্র ৫৪১ জন এ মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি অর্জন করেছেন। এর মধ্যে ৫০০ জন পেয়েছেন সুবর্ণজয়ন্তী বৃত্তি। যা স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে বিজ্ঞান ও অ-বিজ্ঞান উভয় ক্ষেত্রে পড়াশোনার সুযোগ দেবে। আরও ৩৮ জন শিক্ষার্থী পেয়েছেন লতা মঙ্গেশকর নৃত্য ও সংগীত বৃত্তি, আর তিনজন পেয়েছেন কোয়াড বৃত্তি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে স্নাতক পড়াশোনার জন্য।   ভারতীয় হাইকমিশনের তথ্যানুযায়ী, নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করবেন ভারতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে যেমন, আইআইটি, এনআইটি, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্না বিশ্ববিদ্যালয়।   অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ

ভারত সরকারের বৃত্তিতে উচ্চশিক্ষা অর্জনে যাচ্ছেন ৫৪১ বাংলাদেশি

ভারত সরকারের অর্থায়নে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর কালচারাল রিলেশনস (আইসিসিআর বৃত্তি-২০২৬) অর্জন করেছেন বাংলাদেশের ৫৪১ শিক্ষার্থী। 

মঙ্গলবার (০৪ আগস্ট) বিকেলে রাজধানীর বারিধারায় ভারতীয় হাইকমিশন প্রাঙ্গণে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য বিদায় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সারা দেশ থেকে আসা ৭ হাজার ৭০০ আবেদনকারীর মধ্যে দক্ষতা পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে মাত্র ৫৪১ জন এ মর্যাদাপূর্ণ বৃত্তি অর্জন করেছেন। এর মধ্যে ৫০০ জন পেয়েছেন সুবর্ণজয়ন্তী বৃত্তি। যা স্নাতক, স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে বিজ্ঞান ও অ-বিজ্ঞান উভয় ক্ষেত্রে পড়াশোনার সুযোগ দেবে। আরও ৩৮ জন শিক্ষার্থী পেয়েছেন লতা মঙ্গেশকর নৃত্য ও সংগীত বৃত্তি, আর তিনজন পেয়েছেন কোয়াড বৃত্তি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ে স্নাতক পড়াশোনার জন্য।  

ভারতীয় হাইকমিশনের তথ্যানুযায়ী, নির্বাচিত শিক্ষার্থীরা পড়াশোনা করবেন ভারতের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে যেমন, আইআইটি, এনআইটি, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, মুম্বাই বিশ্ববিদ্যালয় এবং আন্না বিশ্ববিদ্যালয়।  

অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা শুধু পড়াশোনায় উৎকর্ষ অর্জন করবেন না, বরং ভারতের বৈচিত্র্যকে জানবেন, স্থায়ী বন্ধুত্ব গড়ে তুলবেন এবং বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে সেতুবন্ধন হয়ে উঠবেন।’  

ঢাকায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অংশ নেন ১২০ জনেরও বেশি শিক্ষার্থী, যারা শিগগিরই ভারতে যাত্রা করবেন। 

হাইকমিশনার আরও বলেন, ‘ভারত বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের উন্মুক্ত হৃদয়ে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত এবং এই শিক্ষাজীবন তাদের ভারতের সাংস্কৃতিক ও আঞ্চলিক বৈচিত্ত্য অভিজ্ঞতা করার সুযোগ করে দেবে।’

উল্লেখ্য, বাংলাদেশিদের জন্য ভারত সরকারের দেওয়া এ পূর্ণাঙ্গ বৃত্তির আওতায় শিক্ষার্থীদের কোনো শিক্ষাব্যয় বা বিশ্ববিদ্যালয় ফি দিতে হয় না। পাশাপাশি তাদের দৈনন্দিন খরচের জন্য মাসিক ভাতা প্রদান করা হবে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow