ভারত সিরিজের অপেক্ষায় বিসিবি, বিপিএল নিয়েও বড় ইঙ্গিত
চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে ভারতীয় দলের বাংলাদেশ সফর করার কথা। তবে নানা কারণে এখনো দুই বোর্ডের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি। গুঞ্জন আছে এবারও ভারত শেষ পর্যন্ত নাও আসতে পারে। বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ রব্বানি জানিয়েছেন, বিষয়টি ইতিবাচক দিকেই এগোচ্ছে, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো যাবে তখনই, যখন সবকিছু চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাবে আরাফাত রহমান কোকোর ক্রিকেটে অবদান স্মরণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বুধবার ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর দেন আসিফ। তিনি বলেন, `যখন ঘোষণা দেওয়ার মতো একটা পর্যায়ে যাব তখন ইনশাআল্লাহ আমরা জানাব। আমাদের আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এখন কি অবস্থায় আছে এটা মনে হয় আরও দু-চার দিন গেলে বা আরও কিছুদিন গেলে এটার একটা আপডেট দিতে পারব। সেটাই ভালো হবে এখন কিছু বলতে চাই না।’ তবে আলোচনা চলমান থাকায় আশাবাদ ছাড়ছে না বিসিবি। দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক ইতিবাচক জায়গায় পৌঁছাবে বলেই বিশ্বাস বোর্ডের। আসিফের ভাষায়, ‘আমরা সবসময় আশাবাদী। যেহেতু অফিশিয়ালি তো কিছু হয় নাই, সেজন্য সবাই আশাবাদী।’ বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ শুধু ক্রিকেটীয় লড়াই নয়, আর্থিক দিক থেকেও বিসিবির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্
চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে ভারতীয় দলের বাংলাদেশ সফর করার কথা। তবে নানা কারণে এখনো দুই বোর্ডের পক্ষ থেকে চূড়ান্ত ঘোষণা আসেনি। গুঞ্জন আছে এবারও ভারত শেষ পর্যন্ত নাও আসতে পারে।
বিসিবির মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ রব্বানি জানিয়েছেন, বিষয়টি ইতিবাচক দিকেই এগোচ্ছে, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো যাবে তখনই, যখন সবকিছু চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছাবে
আরাফাত রহমান কোকোর ক্রিকেটে অবদান স্মরণে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বুধবার ভারতের বাংলাদেশ সফর নিয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর দেন আসিফ। তিনি বলেন, `যখন ঘোষণা দেওয়ার মতো একটা পর্যায়ে যাব তখন ইনশাআল্লাহ আমরা জানাব। আমাদের আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এখন কি অবস্থায় আছে এটা মনে হয় আরও দু-চার দিন গেলে বা আরও কিছুদিন গেলে এটার একটা আপডেট দিতে পারব। সেটাই ভালো হবে এখন কিছু বলতে চাই না।’
তবে আলোচনা চলমান থাকায় আশাবাদ ছাড়ছে না বিসিবি। দুই দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক ইতিবাচক জায়গায় পৌঁছাবে বলেই বিশ্বাস বোর্ডের। আসিফের ভাষায়, ‘আমরা সবসময় আশাবাদী। যেহেতু অফিশিয়ালি তো কিছু হয় নাই, সেজন্য সবাই আশাবাদী।’
বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ শুধু ক্রিকেটীয় লড়াই নয়, আর্থিক দিক থেকেও বিসিবির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সিরিজগুলোর একটি। সম্প্রচার স্বত্ব, স্পনসরশিপ, দর্শক আগ্রহ ও বাণিজ্যিক মূল্য- সব মিলিয়ে এমন একটি সিরিজ বোর্ডের রাজস্বে বড় প্রভাব ফেলে। সেই বাস্তবতাও স্বীকার করেছেন আসিফ।
তিনি বলেন, `এটা তো এখন ঠিক কোয়ান্টিফাই করা যাচ্ছে না। তবে আপনি অবশ্যই ঠিক বলেছেন কারণ একটা বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ অবশ্যই মার্কেটিংয়ের দিক থেকে লোভনীয় একটি সিরিজ। সবদিক থেকেই এটা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ছিল। সেক্ষেত্রে যদি সিরিজ না হয় তো সেখানে তো কিছুটা ক্ষতি হবেই। তবে ইনশাআল্লাহ আমরা অন্যভাবে এটাকে কাভার করা যায় কি না আগামীতে সেটা চেষ্টা করব।’
ভারত সিরিজের পাশাপাশি বিপিএলের ভবিষ্যৎ নিয়েও কথা বলেছেন বিসিবির এই কর্মকর্তা। এখনো টুর্নামেন্ট নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি, তবে বোর্ডের লক্ষ্য এবার আগের মতো তড়িঘড়ি আয়োজন নয়; বরং মানসম্মত ও দর্শকবান্ধব একটি বিপিএল উপহার দেওয়া।
আসিফ বলেন, `না, এখনো আমরা এটাতে সিদ্ধান্তে আসিনি। তবে আমাদের প্রেসিডেন্ট বিশেষ করে উনি বিশ্বাস করেন যখন আমরা এরকম একটি বিপিএল আয়োজন করব সেটা আগের মতো ওই ধরনের তড়িঘড়ি করে জোড়াতালির বিপিএল হবে না। যে বিপিএল যেটা হবে সেটা যেন আমরা একটা উদাহরণ তৈরি করতে পারি। যেখানে সবাই প্রশমগসা করবে এরকম একটা চমৎকার বিপিএল আমরা যেন আয়োজন করতে পারি সেটাই আমাদের লক্ষ্য থাকবে।‘
এসকেডি/আইএইচএস/ইএ
What's Your Reaction?