ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে কসবা-আখাউড়া সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক (ডাইভারশন) ভেঙে গেছে। এতে কসবা ও আখাউড়া উপজেলার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে। দুর্ভোগে পড়েছেন দুই উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ। জানা যায়, কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের চাপিয়া গ্রামে একটি সেতুর নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। ওই সময়ে যান চলাচল সচল রাখতে পাশেই অস্থায়ী ডাইভারশন সড়ক নির্মাণ করা হয়। তবে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তীব্র পানির স্রোতে ডাইভারশনটি ভেঙে যায়। এর ফলে ওই সড়ক দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বর্তমানে আখাউড়া থেকে কসবায় অথবা কসবা থেকে আখাউড়ায় যাতায়াত করতে হলে প্রায় ২৫ কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প পথে চলাচল করতে হচ্ছে। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত ডাইভারশনটি মেরামত করা না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে। কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছামিউল ইসলাম বলেন, পাহাড়ি ঢলে ডাইভারশনটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি প্রশাসন অবগত আছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটি মেরামত করে পুনরায় যান চল

ভারতীয় পাহাড়ি ঢলে কসবা-আখাউড়া সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

ভারতীয় পাহাড়ি ঢলের তীব্র স্রোতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক (ডাইভারশন) ভেঙে গেছে। এতে কসবা ও আখাউড়া উপজেলার মধ্যে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে পড়েছে। দুর্ভোগে পড়েছেন দুই উপজেলার কয়েক লাখ মানুষ।

জানা যায়, কসবা উপজেলার বিনাউটি ইউনিয়নের চাপিয়া গ্রামে একটি সেতুর নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। ওই সময়ে যান চলাচল সচল রাখতে পাশেই অস্থায়ী ডাইভারশন সড়ক নির্মাণ করা হয়। তবে বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) রাতে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের তীব্র পানির স্রোতে ডাইভারশনটি ভেঙে যায়। এর ফলে ওই সড়ক দিয়ে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় তারা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। বর্তমানে আখাউড়া থেকে কসবায় অথবা কসবা থেকে আখাউড়ায় যাতায়াত করতে হলে প্রায় ২৫ কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প পথে চলাচল করতে হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত ডাইভারশনটি মেরামত করা না হলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে।

কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছামিউল ইসলাম বলেন, পাহাড়ি ঢলে ডাইভারশনটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি প্রশাসন অবগত আছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটি মেরামত করে পুনরায় যান চলাচল স্বাভাবিক করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow