ভারতীয় ভিসা চালু, ইমিগ্রেশনের অপেক্ষায় উত্তরাঞ্চলের হাজারো মানুষ

দীর্ঘ সময় পর ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ায় দিনাজপুরের বিরল-রাধিকাপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট চালুর দাবি নতুন করে জোরালো হয়েছে। প্রায় সাত বছর ধরে যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকায় উত্তরাঞ্চলের হাজারো মানুষ, বিশেষ করে ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগী ও ভ্রমণপ্রেমীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। দ্রুত এই স্থল ইমিগ্রেশন চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ভারত গমনেচ্ছুরা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে ২০২০ সালের ১৩ মার্চ থেকে বিরল-রাধিকাপুর স্থল ও রেলপথের ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে যাত্রী পারাপার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও যাত্রী চলাচল আর শুরু হয়নি। যদিও ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে সীমিত পরিসরে কয়েকদিন পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করলেও যাত্রী পারাপারের জন্য স্থলপথটি এখনো বন্ধ রয়েছে। এ কারণে দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মানুষকে ভারতে যেতে হিলি, চিলাহাটি কিংবা বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে সময় ও ব্যয় দুই-ই বাড়ছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়া রোগী ও তাদের স্বজনরা। ভারতগমনেচ্ছ

ভারতীয় ভিসা চালু, ইমিগ্রেশনের অপেক্ষায় উত্তরাঞ্চলের হাজারো মানুষ

দীর্ঘ সময় পর ভারতীয় ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ায় দিনাজপুরের বিরল-রাধিকাপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট চালুর দাবি নতুন করে জোরালো হয়েছে।

প্রায় সাত বছর ধরে যাত্রী পারাপার বন্ধ থাকায় উত্তরাঞ্চলের হাজারো মানুষ, বিশেষ করে ভারতে চিকিৎসা নিতে যাওয়া রোগী ও ভ্রমণপ্রেমীরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। দ্রুত এই স্থল ইমিগ্রেশন চালুর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর উদ্যোগ কামনা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও ভারত গমনেচ্ছুরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে ২০২০ সালের ১৩ মার্চ থেকে বিরল-রাধিকাপুর স্থল ও রেলপথের ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে যাত্রী পারাপার সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরপর দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও যাত্রী চলাচল আর শুরু হয়নি। যদিও ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে সীমিত পরিসরে কয়েকদিন পণ্যবাহী ট্রেন চলাচল করলেও যাত্রী পারাপারের জন্য স্থলপথটি এখনো বন্ধ রয়েছে।

এ কারণে দিনাজপুরসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার মানুষকে ভারতে যেতে হিলি, চিলাহাটি কিংবা বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে সময় ও ব্যয় দুই-ই বাড়ছে। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়ছেন চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়া রোগী ও তাদের স্বজনরা।

ভারতগমনেচ্ছুদের ভাষ্য, বিরল-রাধিকাপুর ইমিগ্রেশন চালু হলে সীমান্ত পার হয়েই ভারতের রাধিকাপুর রেলস্টেশনে পৌঁছানো সম্ভব। সেখান থেকে ট্রেনে স্বল্প খরচে কলকাতাসহ ভারতের বিভিন্ন শহরের হাসপাতাল ও দর্শনীয় স্থানে সহজেই যাতায়াত করা যায়। ফলে সময় যেমন বাঁচবে, তেমনি যাতায়াত ব্যয়ও উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বারবার দাবি জানানো হলেও এখনো যাত্রী পারাপার চালুর বিষয়ে দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি হয়নি। অসুস্থ রোগী নিয়ে বিকল্প সীমান্ত ব্যবহার করে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে গিয়ে তাদের অতিরিক্ত ভোগান্তি ও আর্থিক চাপের মুখে পড়তে হচ্ছে। তাই দ্রুত বিরল-রাধিকাপুর ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট চালুর দাবি জানিয়েছেন তারা।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, বিরল-রাধিকাপুর ইমিগ্রেশন পুনরায় চালুর লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রয়োজনীয় দ্বিপাক্ষিক আলোচনা এবং প্রশাসনিক প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এসব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে যাত্রী পারাপার পুনরায় শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow