ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনারের উপস্থিতিতে ফাগুয়ার সূচনা
বসন্তের রঙে আর পলাশ-শিমুলের আগুনরাঙা সৌন্দর্যে সেজে ওঠা সবুজ চা বাগান। তারই মাঝে আবিরের রঙে রাঙানো হলো মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর চা বাগান। এ মিলনমেলায় ‘উৎসব, ঐতিহ্য আর সম্প্রীতির বন্ধনে সবাই একাত্ম হন’। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুর ১টায় আলীনগর চা বাগানে আনুষ্ঠানিকভাবে ফাগুয়া উৎসবের উদ্বোধন করেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী অনুরুদ্ধ দাস। উৎসবস্থলে পৌঁছালে চা শ্রমিকদের পক্ষ থেকে উত্তরীয় পরিয়ে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিদের বরণ করে নেওয়া হয়। পরে তিনি শিব মন্দিরে পূজা অর্চনা শেষে মূল অনুষ্ঠান মঞ্চে যোগ দেন। অনুষ্ঠানে চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান রাম ভজন কৈরীর সভাপতিত্বে এবং সজল কৈরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল, সিলেটের ভারতীয় ডেপুটি হাই কমিশনের সচিব (প্রেস,তথ্য, সংস্কৃতি ও শিক্ষা) রাজেশ ভাটিয়া, আলীনগর চা বাগানের ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম রানা প্রমুখ। এ সময় অনুরুদ্ধ দাস বলেন, ‘সিলেটে দায়িত্ব নেওয়ার
বসন্তের রঙে আর পলাশ-শিমুলের আগুনরাঙা সৌন্দর্যে সেজে ওঠা সবুজ চা বাগান। তারই মাঝে আবিরের রঙে রাঙানো হলো মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার আলীনগর চা বাগান। এ মিলনমেলায় ‘উৎসব, ঐতিহ্য আর সম্প্রীতির বন্ধনে সবাই একাত্ম হন’।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুর ১টায় আলীনগর চা বাগানে আনুষ্ঠানিকভাবে ফাগুয়া উৎসবের উদ্বোধন করেন সিলেটে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার শ্রী অনুরুদ্ধ দাস।
উৎসবস্থলে পৌঁছালে চা শ্রমিকদের পক্ষ থেকে উত্তরীয় পরিয়ে প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য অতিথিদের বরণ করে নেওয়া হয়। পরে তিনি শিব মন্দিরে পূজা অর্চনা শেষে মূল অনুষ্ঠান মঞ্চে যোগ দেন।
অনুষ্ঠানে চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান রাম ভজন কৈরীর সভাপতিত্বে এবং সজল কৈরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান, কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল আউয়াল, সিলেটের ভারতীয় ডেপুটি হাই কমিশনের সচিব (প্রেস,তথ্য, সংস্কৃতি ও শিক্ষা) রাজেশ ভাটিয়া, আলীনগর চা বাগানের ব্যবস্থাপক রফিকুল ইসলাম রানা প্রমুখ।
এ সময় অনুরুদ্ধ দাস বলেন, ‘সিলেটে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই তার প্রথম ফাগুয়া উৎসবে অংশগ্রহণ। এই উৎসবে এসে মনে হচ্ছে যেন নিজের বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে উৎসব উদযাপন করছি।
এ সময় ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনার চা শ্রমিকদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন। পাশাপাশি শ্রমিকদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে রোহিত কৈরী জীবন নিজের রচিত একটি গান পরিবেশন করেন। এরপর চা শ্রমিকদের ঐতিহ্যবাহী ঝুমুর নাচ ও কাটি নাচ পরিবেশিত হয়। প্রাণবন্ত এসব পরিবেশনায় উপস্থিত অতিথিরা মুগ্ধ হন।
স্বাগত বক্তব্যে সভাপতি রাম ভজন কৈরী ফাগুয়া উৎসবের তাৎপর্য তুলে ধরেন। পরে প্রধান অতিথি শ্রী অনুরুদ্ধ দাসসহ অতিথিরা চা শ্রমিক নেতৃবৃন্দের গালে ও কপালে আবিরের রঙ ছড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উৎসবের উদ্বোধন করেন।
শারদীয় দুর্গাপূজার পর চা বাগানের সবচেয়ে বড় উৎসব দোল পূর্ণিমার রং উৎসব বা ফাগুয়া উপলক্ষে টানা ৩- ৪ দিন ধরে উৎসবের আমেজে মেতে ওঠেন চা শ্রমিক ও তাদের পরিবার পরিজন।
What's Your Reaction?