ভারতীয় হাইকমিশনারকে বলেছি ‘সীমান্ত হত্যা’ যেন শুনতে না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে বিশেষভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে সীমান্ত হত্যা বিষয়ক ঘটনা আর না শুনতে হয়। রোববার (১ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান। ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে তা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত বিষয়ক কথা হয়েছে। বিশেষ করে সীমান্ত হত্যা যাতে আর না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে বিজিবি ও বিএসএফকে নিয়মিত বৈঠক করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে যতটুকু সম্ভব এই ঘটনা এড়িয়ে চলার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। মন্ত্রী আরও জানান, ভারতও এ বিষয়ে আন্তরিকতা দেখাচ্ছে এবং তাদের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হবে। ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা কার্যক্রম নিয়ে তিনি বলেন, গত এক দেড় বছরে ভারতের কনসুলেট ও ভিসা অফিসগুলো কয়েকটি হামলার শিকার হয়েছে, যার কারণে তারা পুরোপুরি কার্যক্রম চালু করতে পারেনি। তবে তারা নিশ্চিত করেছে, ধাপে ধাপে ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালু হবে। সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, ভারতীয় হাইকমিশনার সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। নতুন সরকার গঠিত হলে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সাক্ষাৎ
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে বিশেষভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে সীমান্ত হত্যা বিষয়ক ঘটনা আর না শুনতে হয়। রোববার (১ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান।
ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে বৈঠকে কী আলোচনা হয়েছে তা জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সীমান্ত বিষয়ক কথা হয়েছে। বিশেষ করে সীমান্ত হত্যা যাতে আর না ঘটে, তা নিশ্চিত করতে বিজিবি ও বিএসএফকে নিয়মিত বৈঠক করতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে যতটুকু সম্ভব এই ঘটনা এড়িয়ে চলার ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী আরও জানান, ভারতও এ বিষয়ে আন্তরিকতা দেখাচ্ছে এবং তাদের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হবে।
ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা কার্যক্রম নিয়ে তিনি বলেন, গত এক দেড় বছরে ভারতের কনসুলেট ও ভিসা অফিসগুলো কয়েকটি হামলার শিকার হয়েছে, যার কারণে তারা পুরোপুরি কার্যক্রম চালু করতে পারেনি। তবে তারা নিশ্চিত করেছে, ধাপে ধাপে ভিসা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালু হবে।
সালাহউদ্দিন আহমদ আরও জানান, ভারতীয় হাইকমিশনার সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এসেছিলেন। নতুন সরকার গঠিত হলে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা পরম্পরা হিসেবে হয়ে থাকে। এছাড়া, সীমান্ত নিরাপত্তা, লেনদেন ও ব্যবসা-বাণিজ্যসহ অন্যান্য বিষয়েও ভারতের সঙ্গে আলোচনার জন্য তারা এই সাক্ষাৎ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, ভারতের কাছে আমরা একটি সহযোগিতা চেয়েছি, অন দ্যা বেসিস অফ মিউচুয়াল ইন্টারেস্ট অ্যান্ড ডিগনিটি অ্যান্ড মিউচুয়াল বেনিফিট। উভয় দেশ আমাদের সম্পর্ক বজায় রাখবো। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ কূটনীতিক সব ক্ষেত্রে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় থাকবে।
What's Your Reaction?