ভারতে প্রথম ‘পরোক্ষ মৃত্যু’ কার্যকর
ভারতে প্রথমবারের মতো ‘পরোক্ষ মৃত্যু’ কার্যকর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে (এইমস) হাসপাতালে ওই মৃত্যুটি হয়। আদালতের অনুমতিতে ‘পরোক্ষ মৃত্যু’ কার্যকরের কথা জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ১৩ বছর কোমায় ছিলেন হরিশ রানা। ৩১ বছর বয়সী এই যুবক চরম কষ্টে ভুগছিলেন। চিকিৎসকরা তার সুস্থতার কোনো আশায় দেখছিলেন না। এই যুবকেরই মৃত্যু কার্যকর করা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলার পর তাকে প্যালিয়েটিভ কেয়ারে রাখা হয়েছিল তাকে। এরপরই তার মৃত্যু হয়। এর আগে, হরিশের মা-বাবা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করলে ১১ মার্চ আদালত তাকে ‘মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যুর অধিকার’ দেন। মৃত্যু কার্যকরের জন্য ১৪ মার্চ হরিশ রানাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুদিন পর ধাপে ধাপে লাইফ সাপোর্ট সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। ১১ দিনের মাথায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।
ভারতে প্রথমবারের মতো ‘পরোক্ষ মৃত্যু’ কার্যকর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে দিল্লির অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেসে (এইমস) হাসপাতালে ওই মৃত্যুটি হয়।
আদালতের অনুমতিতে ‘পরোক্ষ মৃত্যু’ কার্যকরের কথা জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ ১৩ বছর কোমায় ছিলেন হরিশ রানা। ৩১ বছর বয়সী এই যুবক চরম কষ্টে ভুগছিলেন। চিকিৎসকরা তার সুস্থতার কোনো আশায় দেখছিলেন না। এই যুবকেরই মৃত্যু কার্যকর করা হয়েছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলার পর তাকে প্যালিয়েটিভ কেয়ারে রাখা হয়েছিল তাকে। এরপরই তার মৃত্যু হয়।
এর আগে, হরিশের মা-বাবা সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করলে ১১ মার্চ আদালত তাকে ‘মর্যাদার সঙ্গে মৃত্যুর অধিকার’ দেন। মৃত্যু কার্যকরের জন্য ১৪ মার্চ হরিশ রানাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দুদিন পর ধাপে ধাপে লাইফ সাপোর্ট সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়। ১১ দিনের মাথায় তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।
What's Your Reaction?