ভারতের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্কের বিলে ট্রাম্পের সম্মতি, কারণ কী

রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতসহ কয়েকটি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর এনডিটিভি। রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম জানিয়েছেন, এ লক্ষ্যে একটি দ্বিদলীয় ‘রাশিয়া স্যাংশন বিল’ শিগগিরই মার্কিন আইনসভায় উত্থাপন করা হবে। গ্রাহাম বলেন, বিলটির মূল উদ্দেশ্য রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করা।  বিশেষ করে ভারত, চীন ও ব্রাজিল—যারা এখনও রাশিয়ার তেল আমদানি করছে—এ বিলের আওতায় শাস্তির মুখে পড়তে পারে। ট্রাম্প ইতোমধ্যে বিলটি পেশ ও ভোটাভুটির বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছেন বলে জানান তিনি। এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভারত যদি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধে সহযোগিতা না করে, তাহলে তাদের ওপর শুল্ক আরও বাড়ানো হবে।  যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ভারত কিছুটা হলেও রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমিয়েছে। উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্টেও রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতীয় পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।  তবে ভারত বারবার বলে আসছে, দেশের

ভারতের ওপর ৫০০ শতাংশ শুল্কের বিলে ট্রাম্পের সম্মতি, কারণ কী

রাশিয়া থেকে তেল কেনার কারণে ভারতসহ কয়েকটি দেশের ওপর সর্বোচ্চ ৫০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। খবর এনডিটিভি।

রিপাবলিকান সিনেটর লিন্ডসে গ্রাহাম জানিয়েছেন, এ লক্ষ্যে একটি দ্বিদলীয় ‘রাশিয়া স্যাংশন বিল’ শিগগিরই মার্কিন আইনসভায় উত্থাপন করা হবে।

গ্রাহাম বলেন, বিলটির মূল উদ্দেশ্য রাশিয়ার সঙ্গে বাণিজ্য চালিয়ে যাওয়া দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করা। 

বিশেষ করে ভারত, চীন ও ব্রাজিল—যারা এখনও রাশিয়ার তেল আমদানি করছে—এ বিলের আওতায় শাস্তির মুখে পড়তে পারে। ট্রাম্প ইতোমধ্যে বিলটি পেশ ও ভোটাভুটির বিষয়ে সবুজ সংকেত দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

এর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভারত যদি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধে সহযোগিতা না করে, তাহলে তাদের ওপর শুল্ক আরও বাড়ানো হবে। 

যদিও ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের চাপের কারণে ভারত কিছুটা হলেও রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কমিয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের আগস্টেও রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার কারণে ভারতীয় পণ্যের ওপর সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। 

তবে ভারত বারবার বলে আসছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই তারা রাশিয়ার তেল কিনতে বাধ্য হচ্ছে।
 

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow