ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট জট খুলতে চান আমিনুল

বিশ্বকাপে না থাকা ছিল কূটনৈতিক ব্যর্থতা প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে গড়ে উঠবে নতুন সম্পর্ক দুর্নীতে জিরো টলারেন্স নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারতের মাটিতে খেলতে না চাওয়ায় চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেয় আইসিসি। সদ্য সাবেক হওয়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের শুরুতেই কঠোর অবস্থানের কারণে বিশ্বমঞ্চের সেই আসরে টাইগারদের দেখা যায়নি। তবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকারের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক দায়িত্ব গ্রহনের প্রথমদিনেই এই সংকটের সমাধানে ইতিবাচক ও বন্ধুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক তৎপরতার ওপর জোর দিয়েছেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শপথ গ্রহণের পর মিরপুরে পল্লবীতে বিএনপি অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি জানান, সংসদ ভবনে ভারতের হাই কমিশনারের সঙ্গে তার প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। তিনি অত্যন্ত বন্ধুসুলভ আচরণ করেছেন। আমি তাকে পরিষ্কার জানিয়েছি যে, আমরা আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করতে চাই। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে খেলাধুলাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা আন্তরিক ও সৌহা

ভারতের সঙ্গে ক্রিকেট জট খুলতে চান আমিনুল
  • বিশ্বকাপে না থাকা ছিল কূটনৈতিক ব্যর্থতা
  • প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে গড়ে উঠবে নতুন সম্পর্ক
  • দুর্নীতে জিরো টলারেন্স

নিরাপত্তা ইস্যুতে ভারতের মাটিতে খেলতে না চাওয়ায় চলতি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দেয় আইসিসি। সদ্য সাবেক হওয়া অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ক্রীড়া উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের শুরুতেই কঠোর অবস্থানের কারণে বিশ্বমঞ্চের সেই আসরে টাইগারদের দেখা যায়নি।

তবে গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকারের ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক দায়িত্ব গ্রহনের প্রথমদিনেই এই সংকটের সমাধানে ইতিবাচক ও বন্ধুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক তৎপরতার ওপর জোর দিয়েছেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শপথ গ্রহণের পর মিরপুরে পল্লবীতে বিএনপি অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। তিনি জানান, সংসদ ভবনে ভারতের হাই কমিশনারের সঙ্গে তার প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমি তার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি। তিনি অত্যন্ত বন্ধুসুলভ আচরণ করেছেন। আমি তাকে পরিষ্কার জানিয়েছি যে, আমরা আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত এই সমস্যার সমাধান করতে চাই। প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে খেলাধুলাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে চাই।’

বাংলাদেশ কেন বিশ্বকাপে অংশ নিল না, তা নিয়ে সরাসরি মন্তব্য করেছেন আমিনুল। তিনি মনে করেন, আলোচনার অভাবই এর প্রধান কারণ। তার ভাষ্যমতে, ‘কূটনৈতিক জটিলতার কারণেই আমরা বিশ্বকাপে খেলতে পারিনি। যদি আগে থেকে সঠিক আলোচনা ও সমাধানের চেষ্টা করা হতো, তবে আমাদের দল নিশ্চয়ই বিশ্বকাপে অংশ নিত।’

মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর আমিনুল হক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন ক্রীড়াঙ্গনের অভ্যন্তরীণ বিভেদ দূর করাকে। তিনি বলেন, ‘বিগত সময়ে ক্রীড়াবিদ, সংগঠক ও সাংবাদিকদের মধ্যে এক ধরনের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। আমার মূল লক্ষ্য হলো এই দেয়াল ভেঙে সবাইকে একটি পরিবারের মতো ঐক্যবদ্ধ করা। আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশের স্পোর্টসকে বিশ্বদরবারে এগিয়ে নিয়ে যাব।’

ক্রীড়াঙ্গনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে থাকা অনিয়ম দূর করতে কঠোর অবস্থান নেয়ার কথা বলেছেন সাবেক এই ফুটবল তারকা। দুর্নীতির বিষয়ে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি জিরো টলারেন্স নীতিতে দুর্নীতির লাগাম টানব। কোনো অনিয়ম সহ্য করা হবে না। সাংবাদিকরা আমাকে অনিয়মের তথ্য দিলে আমি ব্যক্তিগতভাবে তার প্রতিকার করব। ভবিষ্যতে ক্রীড়াঙ্গনে কোনো দুর্নীতিবাজের ঠাঁই হবে না ইনশাআল্লাহ।’

এসকেডি/আইএইচএস

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow