ভারতের স্বাধীনতা দিবসে বিজিবিকে মিষ্টি উপহার বিএসএফের
ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সৌহার্দ্যের চিত্র দেখা গেছে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ঘোজাডাঙ্গা আন্তর্জাতিক সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের মিষ্টি উপহার দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গত কয়েক মাসে ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের বিভিন্ন এলাকা দিয়ে পুশইনের ঘটনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সীমান্তে দেখা গেল সম্প্রীতির পরিবেশ। আরও পড়ুন বাজারে যাওয়ার পথে তুলে এনে বাংলাদেশে পুশ-ইন, ভারতে ফিরতে চান নারী শনিবার (১৫ আগস্ট) ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঘোজাডাঙ্গা আন্তর্জাতিক সীমান্তের জিরো পয়েন্টে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা একত্রিত হন। এ সময় ভারতের ১০২ নম্বর ব্যাটালিয়নের বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড (বিজিবি) সদস্যদের মিষ্টি উপহার দেন। অনুষ্ঠানে ঘোজাডাঙ্গা এলাকার ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারাও উপস্থিত ছিলেন। বিএসএফ ক্যাম্পের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিজিবির কর্মকর্তারা কুশল বিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পাশাপাশি দুই দেশের ব্যবসায়ীরাও একে অপরকে ফুল ও
ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবসে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সৌহার্দ্যের চিত্র দেখা গেছে। পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার ঘোজাডাঙ্গা আন্তর্জাতিক সীমান্তে বিজিবি সদস্যদের মিষ্টি উপহার দিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)।
গত কয়েক মাসে ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের বিভিন্ন এলাকা দিয়ে পুশইনের ঘটনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে কিছুটা উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এর মধ্যেই ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সীমান্তে দেখা গেল সম্প্রীতির পরিবেশ।
শনিবার (১৫ আগস্ট) ভারতের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ঘোজাডাঙ্গা আন্তর্জাতিক সীমান্তের জিরো পয়েন্টে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যরা একত্রিত হন। এ সময় ভারতের ১০২ নম্বর ব্যাটালিয়নের বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশের বর্ডার গার্ড (বিজিবি) সদস্যদের মিষ্টি উপহার দেন।
অনুষ্ঠানে ঘোজাডাঙ্গা এলাকার ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারাও উপস্থিত ছিলেন। বিএসএফ ক্যাম্পের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিজিবির কর্মকর্তারা কুশল বিনিময় ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
সীমান্তরক্ষী বাহিনীর পাশাপাশি দুই দেশের ব্যবসায়ীরাও একে অপরকে ফুল ও মিষ্টি দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
ভারতের ঘোজাডাঙ্গা এক্সপোর্ট অ্যান্ড ইমপোর্টার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশের ভোমরা স্থলবন্দর আমদানি-রপ্তানিকারক গ্রুপের প্রতিনিধিরা এ সময় পরস্পরকে ফুল ও মিষ্টি দিয়ে বরণ করে নেন।
বাংলাদেশের কাস্টমস কর্মকর্তা এস এম আবদুল বলেন, ‘আজ আমরা মিষ্টি বিনিময় করে কুশল বিনিময় করলাম। আজ ভারতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিনে ভারত স্বাধীনতা লাভ করেছে। স্বাধীনতার স্বাদ প্রত্যেক জাতির জন্যই আনন্দের বিষয়। ভারত আমাদের ভাতৃপ্রতিম দেশ। সেই আনন্দ আমরা ভাগাভাগি করে নিয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘এখানে মনের ভাবের আদান-প্রদান হয়েছে। আমরা দুই দেশের পক্ষ থেকে মিষ্টি বিনিময় করেছি। ভারত-বাংলাদেশ বন্ধুত্বের একটি ভাবের আদান-প্রদান হয়েছে।’
একজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে তিনি ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও উত্তরোত্তর জোরদার হওয়ার প্রত্যাশা করেন।
ডিডি/কেএএ/
What's Your Reaction?

