ভারী বৃষ্টিতে তিস্তায় বিপৎসীমার ওপর পানি, জলঢাকায় ‘রেড অ্যালার্ট’
টানা ভারী বর্ষণের কারণে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরভাগের নদীগুলোর পানি হু হু করে বাড়ছে। পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে তিস্তা ও জলঢাকাসহ প্রধান নদীগুলো এখন বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিশেষ করে জলঢাকা নদীর পানি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী অববাহিকার ধূপগুড়ি ব্লকের বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জলঢাকা নদীসংলগ্ন এলাকায় ‘রেড অ্যালার্ট’ (লাল সতর্কতা) এবং তিস্তার ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তোরসা, লীশসহ অন্যান্য পাহাড়ি নদীর পানিও বিপৎসীমার কাছাকাছি চলে এসেছে। আলিপুরদুয়ারের চর তোরসা নদীর পানি বাড়ায় প্লাবিত হয়েছে সংলগ্ন নিচু এলাকা। একই সঙ্গে বানারহাটের হাতিনালার পানির স্রোতও মারাত্মক রূপ নিয়েছে। আরও পড়ুন ‘অসহায়ত্ব কাটবে’ / বাংলাদেশিদের জন্য পর্যটন ভিসা চালুর খবরে খুশির হাওয়া কলকাতায় টানা বৃষ্টির কারণে আলিপুরদুয়ার এবং শিলিগুড়ির মধ্যে সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর পানি উপচে পড়ায় বেশ কিছুক্ষণের জন্য যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হ
টানা ভারী বর্ষণের কারণে পশ্চিমবঙ্গের উত্তরভাগের নদীগুলোর পানি হু হু করে বাড়ছে। পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে তিস্তা ও জলঢাকাসহ প্রধান নদীগুলো এখন বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিশেষ করে জলঢাকা নদীর পানি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় নদী অববাহিকার ধূপগুড়ি ব্লকের বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জলঢাকা নদীসংলগ্ন এলাকায় ‘রেড অ্যালার্ট’ (লাল সতর্কতা) এবং তিস্তার ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে হলুদ সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন।
উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহার জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তোরসা, লীশসহ অন্যান্য পাহাড়ি নদীর পানিও বিপৎসীমার কাছাকাছি চলে এসেছে। আলিপুরদুয়ারের চর তোরসা নদীর পানি বাড়ায় প্লাবিত হয়েছে সংলগ্ন নিচু এলাকা। একই সঙ্গে বানারহাটের হাতিনালার পানির স্রোতও মারাত্মক রূপ নিয়েছে।
টানা বৃষ্টির কারণে আলিপুরদুয়ার এবং শিলিগুড়ির মধ্যে সড়ক যোগাযোগ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের ওপর পানি উপচে পড়ায় বেশ কিছুক্ষণের জন্য যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। বিশেষ করে জলঢাকা নদীর ওপর থাকা সেতুর ওপর দিয়ে পানি বইতে শুরু করায় সেতুর দুই পাশে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে পড়ে অসংখ্য যানবাহন।
খবর পেয়ে প্রশাসনিক দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। আটকে থাকা পানি দ্রুত সরিয়ে দিতে জেসিবি (JCB) মেশিন এনে সেতুর নিচে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়। দীর্ঘ চেষ্টার পর পানি কিছুটা কমলে ফের যান চলাচল শুরু করা সম্ভব হয়। অবিরাম এই বৃষ্টির কারণে ডুয়ার্সের বেশ কিছু অংশে বড় ধরনের বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব বিষয়ের ওপর কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। তিস্তা ও জলঢাকা নদীপাড়ের বাসিন্দাদের সতর্ক করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে লাউডস্পিকারের মাধ্যমে অনবরত ঘোষণা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, রোববার কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের আকাশ আংশিক মেঘলা রয়েছে। দক্ষিণবঙ্গে ভারী বৃষ্টি না হলেও গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়া বজায় থাকবে। তবে পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদে বজ্রবিদ্যুৎসহ ভারী বৃষ্টির কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। এসব জেলায় ঘণ্টায় ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
ডিডি/কেএএ/
What's Your Reaction?

