ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে সুপ্রিম কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি
সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসেই আইনজীবীদের শারীরিক উপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারিক কার্যক্রম চালু রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা। এ লক্ষ্যে মঙ্গলবার ( ২১ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করা হয়। মানবন্ধনে সুপ্রিম কোর্টে সপ্তাহে বুধ ও বৃহস্পতিবার ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে বিচারকাজ পরিচালনার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়। আইনজীবীরা বলেন, জাতীয় সংসদে জানানো হয়েছে যে দেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই। অথচ এর অজুহাত দেখিয়ে ভার্চ্যুয়ালি আদালত চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারা অবিলম্বে ভার্চ্যুয়ালি আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারে প্রধান বিচারপতির প্রতি আহ্বান জানান। এসময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সংবিধান সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট সপ্তাহে দুইদিন অনলাইন পদ্ধতিতে চলবে বলে যে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে, সেটি ভ্রান্ত পদ্ধতি। এতে বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয় হবে না, বরং আরও বাড়বে। তিনি কারণ উল্লেখ করে বলেন, হাইকোর্টের একটি এজলাসে ৮০ জন আইনজীবী একত্রে বসে থাকবেন শুনানির জন্য, যেখানে দু
সপ্তাহের প্রতি কার্যদিবসেই আইনজীবীদের শারীরিক উপস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টের বিচারিক কার্যক্রম চালু রাখার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ লক্ষ্যে মঙ্গলবার ( ২১ এপ্রিল) সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করা হয়। মানবন্ধনে সুপ্রিম কোর্টে সপ্তাহে বুধ ও বৃহস্পতিবার ভার্চ্যুয়াল পদ্ধতিতে বিচারকাজ পরিচালনার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়।
আইনজীবীরা বলেন, জাতীয় সংসদে জানানো হয়েছে যে দেশে কোনো জ্বালানি সংকট নেই। অথচ এর অজুহাত দেখিয়ে ভার্চ্যুয়ালি আদালত চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তারা অবিলম্বে ভার্চ্যুয়ালি আদালত পরিচালনার সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারে প্রধান বিচারপতির প্রতি আহ্বান জানান।
এসময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সংবিধান সংরক্ষণ কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট সপ্তাহে দুইদিন অনলাইন পদ্ধতিতে চলবে বলে যে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে, সেটি ভ্রান্ত পদ্ধতি। এতে বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয় হবে না, বরং আরও বাড়বে।
তিনি কারণ উল্লেখ করে বলেন, হাইকোর্টের একটি এজলাসে ৮০ জন আইনজীবী একত্রে বসে থাকবেন শুনানির জন্য, যেখানে দুটি এসি চলবে। আর অনলাইন পদ্ধতিতে চললে ৮০ জন আইনজীবী তাদের নিজ নিজ চেম্বারে বসে শুনানি করতে গেলে, জজ সাহেবের খাস কামরায় এসি চলবে, বেঞ্চ অফিসার বসবেন, সব মিলিয়ে বিদ্যুৎ খরচ সাশ্রয় হবে না, বাড়বে।
অনলাইন পদ্ধতিতে আদালত পরিচালনার ‘ভূত তাড়াতে’ শিগগিরই মিলাদ পড়ানোর আহ্বান জানান মামুন মাহবুব।
মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন এ কে এম জগলুল হায়দার আফ্রিক, তৈমুর আলম খন্দকার, মোকছেদুল ইসলাম, এম সরোয়ার হোসেন, ইয়ারুল ইসলাম, মোহাম্মদ আলী, মাহবুবুর রহমান খান, আনিসুর রহমান রায়হান প্রমুখ। সঞ্চালনা করেন এম আশরাফুল ইসলাম।
বর্তমান বৈশ্বিক জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় সুপ্রিম কোর্টের উভয় বিভাগে সপ্তাহের বুধ ও বৃহস্পতিবার ভার্চ্যুয়াল বিচারকাজ পরিচালনা করা হবে বলে সিদ্ধান্ত জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রোব থেকে মঙ্গলবার শারীরিক উপস্থিতিতে আদালতের কার্যক্রম চলবে। এই নির্দেশনা ২২ এপ্রিল থেকে কার্যকর হবে এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চলবে।
এফএইচ/একিউএফ
What's Your Reaction?