ভালো কাজ করলেই মিলছে ফ্রি ইফতার-রাতের খাবার

দিনে মাত্র একটি ভালো কাজ করলেই মিলছে বিনামূল্যে ইফতার ও রাতের খাবার। রাজধানীভিত্তিক সংগঠন ‌‘ভালো কাজের হোটেল’ কুড়িগ্রামের চিলমারীতে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রতিদিন কয়েকশ অসহায়, ছিন্নমূল ও নিম্নআয়ের মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে ইফতারসামগ্রী। চিলমারী উপজেলার রমনা রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ইফতার বিতরণকে ঘিরে নারী-পুরুষ ও শিশুদের ভিড়। কেউ দিনমজুর, কেউ রিকশাচালক, আবার কেউ রেলওয়ে বস্তির বাসিন্দা। সবার মুখে একটাই কথা—‘আজ একটা ভালো কাজ করেছি’। সংগঠনের সিনিয়র স্বেচ্ছাসেবক নুর আলম রাঙা বলেন, প্রতি‌দিন ৫০০-৬০০ মানুষের জন্য ইফতারের আয়োজন করা হয়। একেক‌দিন একেক মেন্যু থা‌কে। বিরিয়ানি, মুরগির রোস্ট, খেজুর ও শরবত। শর্ত একটাই—দিনে অন্তত একটি ভালো কাজ করতে হবে। তাহলেই বিনামূল্যে খাবার দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, ঢাকাভিত্তিক সংগঠন ‘ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ’র শাখা হিসেবে ‘ভালো কাজের হোটেল’ পরিচালিত হচ্ছে। সংগঠনটির চার হাজার ১০০ সদস্য প্রতিদিন ১০ টাকা করে অনুদান দেন। তাদের অর্থায়নেই কুড়িগ্রামসহ দেশের চারটি স্থানে এ কার্যক্রম চলছে। ২০১৯ সাল থেকে সামাজিক সচেতনতা ও মানবিক কাজের মাধ্যমে কর্মসূচিটি পরিচালিত

ভালো কাজ করলেই মিলছে ফ্রি ইফতার-রাতের খাবার

দিনে মাত্র একটি ভালো কাজ করলেই মিলছে বিনামূল্যে ইফতার ও রাতের খাবার। রাজধানীভিত্তিক সংগঠন ‌‘ভালো কাজের হোটেল’ কুড়িগ্রামের চিলমারীতে এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রতিদিন কয়েকশ অসহায়, ছিন্নমূল ও নিম্নআয়ের মানুষের হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে ইফতারসামগ্রী।

চিলমারী উপজেলার রমনা রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, ইফতার বিতরণকে ঘিরে নারী-পুরুষ ও শিশুদের ভিড়। কেউ দিনমজুর, কেউ রিকশাচালক, আবার কেউ রেলওয়ে বস্তির বাসিন্দা। সবার মুখে একটাই কথা—‘আজ একটা ভালো কাজ করেছি’।

সংগঠনের সিনিয়র স্বেচ্ছাসেবক নুর আলম রাঙা বলেন, প্রতি‌দিন ৫০০-৬০০ মানুষের জন্য ইফতারের আয়োজন করা হয়। একেক‌দিন একেক মেন্যু থা‌কে। বিরিয়ানি, মুরগির রোস্ট, খেজুর ও শরবত। শর্ত একটাই—দিনে অন্তত একটি ভালো কাজ করতে হবে। তাহলেই বিনামূল্যে খাবার দেওয়া হচ্ছে।

ভালো কাজ করলেই মিলছে ফ্রি ইফতার-রাতের খাবার

তিনি আরও জানান, ঢাকাভিত্তিক সংগঠন ‘ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ’র শাখা হিসেবে ‘ভালো কাজের হোটেল’ পরিচালিত হচ্ছে। সংগঠনটির চার হাজার ১০০ সদস্য প্রতিদিন ১০ টাকা করে অনুদান দেন। তাদের অর্থায়নেই কুড়িগ্রামসহ দেশের চারটি স্থানে এ কার্যক্রম চলছে। ২০১৯ সাল থেকে সামাজিক সচেতনতা ও মানবিক কাজের মাধ্যমে কর্মসূচিটি পরিচালিত হচ্ছে।

ইফতার নিতে আসা রমনা রেলওয়ে বস্তির বাসিন্দা খাদিজা বেগম বলেন, ‘বাড়িতে ভালো খাবার জোটে না। এখানে এসে অন্তত একবেলা ভালোভাবে খেতে পারি।’

ভালো কাজের উদাহরণ দিয়ে রমনা ব্যাপারীপাড়া থেকে আসা সালমা বেগম বলেন, ‘একজন অসুস্থ বৃদ্ধ মানুষ বিছানা থেকে উঠতে পারছিলেন না। তাকে গোসল করিয়ে ঘরে পৌঁছে দিয়েছি।’

ভালো কাজ করলেই মিলছে ফ্রি ইফতার-রাতের খাবার

স্থানীয় যুবক সাব্বির বলেন, প্রতিদিন কয়েকশ মানুষ এখানে আসে। তাদের একটি ভালো কাজের বিনিময়ে খাবার দেওয়া হচ্ছে। এটি সত্যিই প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবক লিমন জানান, সদস্যদের পাশাপাশি বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় বর্তমানে কুড়িগ্রাম, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও মাদারীপুরে এ কার্যক্রম চলছে। পুরো রমজান মাসজুড়ে ইফতার বিতরণ অব্যাহত থাকবে।

রোকনুজ্জামান মানু/এসআর/এএসএম

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow