‘ভালোবাসায় বাড়ানো হাত’ বইয়ের পর্যালোচনা করে পুরস্কার পেলেন যারা

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের আয়োজনে ‘ভালোবাসায় বাড়ানো হাত’ বই পর্যালোচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ১২ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টায় ক্যাম্পাসে এ পুরস্কার বিতরণ করা হয়। মূল আলোচক হিসেবে ছিলেন বইটির লেখক মতিউর রহমান। অতিথি হিসেবে ছিলেন ইউআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. ফৈয়াজ খান। সভাপতিত্ব করেন ইউআইইউয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন ইউআইইউয়ের মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের প্রধান ড. শেখ মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম। প্রতিযোগিতায় ইউআইইউয়ের ইংরেজি বিভাগ, পরিবেশ ও উন্নয়ন অধ্যয়ন (ইডিএস) বিভাগ এবং মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম (এমএসজে) বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। তারা বইটির বিষয়বস্তু নিয়ে সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, নিজস্ব উপলব্ধি ও সৃজনশীল চিন্তা-ভাবনা তুলে ধরেন। মতিউর রহমান তার বইটির বিষয়বস্তু সংক্ষেপে তুলে ধরেন। বইটি লেখার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা বিভিন্ন স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, ‘বইপড়ার মাধ্যমে মানুষ শুধু জ্ঞান অর্জন করে না বরং সমাজ, মানুষ ও জীবনকে নতুনভাবে উপলব্ধ

‘ভালোবাসায় বাড়ানো হাত’ বইয়ের পর্যালোচনা করে পুরস্কার পেলেন যারা

ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের আয়োজনে ‘ভালোবাসায় বাড়ানো হাত’ বই পর্যালোচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ করা হয়। ১২ আগস্ট সকাল সাড়ে ১০টায় ক্যাম্পাসে এ পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

মূল আলোচক হিসেবে ছিলেন বইটির লেখক মতিউর রহমান। অতিথি হিসেবে ছিলেন ইউআইইউ বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্য অধ্যাপক ড. মো. ফৈয়াজ খান। সভাপতিত্ব করেন ইউআইইউয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া। স্বাগত বক্তব্য দেন ইউআইইউয়ের মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের প্রধান ড. শেখ মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম।

প্রতিযোগিতায় ইউআইইউয়ের ইংরেজি বিভাগ, পরিবেশ ও উন্নয়ন অধ্যয়ন (ইডিএস) বিভাগ এবং মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম (এমএসজে) বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। তারা বইটির বিষয়বস্তু নিয়ে সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ, নিজস্ব উপলব্ধি ও সৃজনশীল চিন্তা-ভাবনা তুলে ধরেন।

book

মতিউর রহমান তার বইটির বিষয়বস্তু সংক্ষেপে তুলে ধরেন। বইটি লেখার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা বিভিন্ন স্মৃতি ও অভিজ্ঞতার স্মৃতিচারণ করেন। তিনি বলেন, ‘বইপড়ার মাধ্যমে মানুষ শুধু জ্ঞান অর্জন করে না বরং সমাজ, মানুষ ও জীবনকে নতুনভাবে উপলব্ধি করার সুযোগ পায়। তরুণ প্রজন্মের চিন্তাশক্তি, মানবিক মূল্যবোধ এবং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা বিকাশে বইপড়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।’

অধ্যাপক ড. মো. ফৈয়াজ খান তার বক্তব্যে তরুণদের মধ্যে বইপড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা এবং পাঠ-পর্যালোচনার সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, ‘নিয়মিত বইপড়া তরুণদের জ্ঞান ও চিন্তার পরিধি বিস্তৃত এবং মননশীলতা বিকাশে সহায়তা করে।’

ইউআইইউয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবুল কাশেম মিয়া বলেন, ‘বই মানুষের চিন্তার জগৎকে সমৃদ্ধ করে এবং সমাজ ও জীবনকে গভীরভাবে বুঝতে সাহায্য করে। শিক্ষাথীদের মধ্যে পাঠাভ্যাস গড়ে তোলা এবং তাদের মানবিক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করি।’

book

বই পর্যালোচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন মিডিয়া স্টাডিজ অ্যান্ড জার্নালিজম বিভাগের ছাত্র মিয়াজী হোসাইন আবরার, দ্বিতীয় হয়েছেন একই বিভাগের ছাত্রী ফারহানা ফাইজা জিম এবং তৃতীয় হয়েছেন পরিবেশ ও উন্নয়ন অধ্যয়ন (ইডিএস) বিভাগের ছাত্র মাশরাফি কামাল শাফি। পুরস্কার হিসেবে তাদের যথাক্রমে একটি ল্যাপটপ, একটি মনিটর ও একটি হেডফোন দেওয়া হয়। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে এক সেট বই ও সনদ দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে গীতিকার ও সুরকার কবির বকুল, লেখক ও সাংবাদিক রাহিতুল ইসলাম, স্কিলআপারের প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও শামীম হুসাইন, প্রথমা ডটকমের ইনচার্জ রাসেল রায়হান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এসইউ

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow